অন্যরকম
অদ্ভুত রীতির দেশ ফিজি!
প্রকাশ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
আলোকিত ডেস্ক

দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত একটি ছোট্ট দেশ ফিজি। আধুনিক বহু গবেষণা মতে, সূর্যোদয়ের দেশ হলো ফিজি। এখানে প্রতিদিন সবার আগে সূর্য ওঠে। ইন্টারন্যাশনাল ডেট লাইনে অবস্থিত পৃথিবীর একমাত্র আবাদ অঞ্চল এটি। এ ডেট লাইনের পাশেই আছে একটি মনোরম মসজিদ। এখান থেকেই প্রতিদিন পৃথিবীর সর্বপ্রথম আজান শোনা যায়। যেখানে বিয়ের রীতি একেবারেই ভিন্ন। সেখানে পাত্রীর বাড়িতে বিয়ের প্রস্তাব দিতে হলে সঙ্গে নিতে হবে পুরুষ তিমির দাঁত। পাত্র তিমির দাঁত কনের বাবা-মাকে দিয়ে প্রস্তাব দেবেন এমনই রীতি সেখানে। এ প্রথা ফিজিতে ট্যাবুয়া নামে পরিচিত। সেখানকার বাজারে বিক্রিও হয় তিমির দাঁত। মূলত তারা সমুদ্রে ভেসে আসা মৃত তিমির দাঁত সংগ্রহ করে বিক্রি করেন। যদিও প্রাচীন ফিজিরা তিমি শিকার করেই দাঁত সংগ্রহ করতেন বলে ধারণা করা হয়। তবে শুধু চেহারায় নয়, এখানকার আদিবাসীদের জীবনযাপন, রীতিনীতিও অনেকটা আফ্রিকান বিভিন্ন উপজাতির মতো। এদেশের গ্রামগুলোয় সানগ্লাস এবং টুপি পরা নিষিদ্ধ। কারণ এখানে শুধু স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরাই সানগ্লস ও টুপি পরতে পারেন। ফিজিরা কালো জাদুতে খুবই পারদর্শী। আধুনিক ফিজিরা এখান থেকে সরে এলেও তাদের পূর্বপুরুষরা ছিলেন কালো জাদুতে বিশেষ দক্ষ। এমনও শোনা যায়, তারা আত্মার সঙ্গে কথা বলতে পারতেন। এমনকি আত্মাকে বশ করতে পারতেন। বিশ্বে প্রথম নরমাংস খাওয়ার প্রথাও চালু হয়েছিল ফিজিতে। খ্রিষ্টধর্ম সূচনা হওয়ার আগপর্যন্ত দেশটিতে এ প্রথার প্রচলন ছিল। ফিজিয়ানরা বিশ্বাস করেন, পাহাড়ের গুহায় দিঘি নামক একটি বৃহৎ সাপ এখনও অবস্থান করছে। এমনকি স্বর্গদেবতা তাদের সমুদ্রের মধ্য দিয়ে ফিজিতে এনেছিলেন।
