ঢাকা ২৪ জুলাই ২০২৪, ৯ শ্রাবণ ১৪৩১ | বেটা ভার্সন

যমুনার পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত

নিম্নাঞ্চল বন্যাকবলিত
যমুনার পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও বর্ষণে সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনায় ৩৫ সেন্টিমিটার পানি বাড়ছে এবং বর্তমানে যমুনার পানি পেয়ে বিপৎসীমার ১২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে যমুনার তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে এবং নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। এতে স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কা করা হচ্ছে। যমুনার তীরবর্তী বিভিন্ন স্থানে তীব্রভাঙনও শুরু হয়েছে। এর মধ্যেই ৫ শতাধিক বাড়িঘর গাছপালা ও জায়গা-জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কয়েকদিন ধরে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও দফায় দফায় বর্ষণে যমুনার পানি হু হু করে বাড়ছে। সেইসাথে নদী তীরবর্তী চৌহালী, বেলকুচি, শাহজাদপুর, কাজিপুর ও সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার চরাঞ্চলসহ বিভিন্ন স্থানে ভাঙন শুরু হয়েছে। এর মধ্যেই ৫ শতাধিক ঘরবাড়ি, গাছপালা ও জায়গা-জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এছাড়া যমুনার শাখা নদীসহ বিভিন্ন খালবিলে পানি প্রবেশ শুরু করেছে এবং অনেক কাঁচা পাকা সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। বিশেষ করে শাহজাদপুর, কাজিপুর ও চৌহালী উপজেলার এই পরিস্থিতির অবনতির সৃষ্টি হচ্ছে এবং যমুনার তীরবর্তী ওই ৫টি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ভাঙ্গনে বহু পরিবার দিশাহারা হয়ে পড়েছে। এ বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলার নির্বাহী অফিসার মো. কামরুজ্জামান জানান, এ উপজেলার জালালপুর ও কৈজুরী ইউনিয়নের হাঁটপাচিলসহ বিভিন্ন স্থানে ভাঙন শুরু হয়েছে এবং নিম্নাঞ্চল বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে জেলা প্রশাসক মীর মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন এবং তিনি ভাঙন ও বন্যাকবলিত মানুষের সহযোগিতায় নজর রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন। স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান বলেন, যমুনা নদীর বিভিন্ন স্থানে ভাঙন রোধে জিওটিউব ডাম্পিং শুরু করেছি। এছাড়া পাউবোর ড্রেজার দিয়ে চ্যানেলটিকে প্রশস্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে এবং নদীর গতিপথ পরিবর্তনের জন্য খনন কাজ চলছে। তবে আরো ৪-৫ দিন পানি বাড়বেত পারে এবং স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কা রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত