সাবেক ভিসি হারুন-মশিউরের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত চলতে থাকায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক দুই উপাচার্য হারুন-অর-রশীদ ও মো. মশিউর রহমানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।
দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে গতকাল মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন। দুদকের পক্ষে সংস্থার উপপরিচালক মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়, ??‘দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধান বিষয়ে তিন সদস্যের একটি অনুসন্ধান টিম গঠন করা হয়েছে। অনুসন্ধান চলমান আছে। অভিযোগ সংশ্লিষ্টরা দেশ ছেড়ে বিদেশে পালিয়ে যেতে পারে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে খবর এসেছে। অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের অর্থে তাদের বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দেওয়া একান্ত প্রয়োজন।’
২০১৩ সালের ৬ মার্চ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে প্রথমবার দায়িত্বে আসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক অধ্যাপক হারুন-অর-রশীদ। পরে তাকে এই দায়িত্বে চার বছর পর আবারও আনা হয় ২০১৭ সালে।
পরবর্তীতে ২০২১ সালের ৫ মার্চ তার দ্বিতীয় মেয়াদের সময়কাল শেষ হয়। ২০২১ সালের মে মাসে মশিউর রহমান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পান। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ২০২৪ সালের ১১ আগস্ট তিনি পদত্যাগ করেন। এর আগে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টির উপ-উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
সাবেক ডিআইজি নাজমুল আলমের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা: অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ থাকায় পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত ডিআইজি শেখ নাজমুল আলমের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এদিন, দুদকের পক্ষে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মনির মিয়া অভিযোগ সংশ্লিষ্ট নাজমুল আলমের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়, তার বিরুদ্ধে নানাবিধ দুর্নীতিসহ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুসন্ধান দুর্নীতি দমন কমিশনে চলমান রয়েছে। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, তিনি দেশত্যাগ করার চেষ্টা করছেন। অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তার বিদেশ গমন রহিত করা প্রয়োজন।
