এপ্রিলে তীব্র তাপপ্রবাহের আভাস, তাপমাত্রা উঠতে পারে ৪২ ডিগ্রি
প্রকাশ : ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক
চলতি এপ্রিল মাসে দেশে ২-৪ টি মৃদু (৩৬-৩৭.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস) অথবা মাঝারি (৩৮-৩৯.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস) এবং ১-২টি তীব্র (৪০-৪১.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস) তাপ প্রবাহ বয়ে যেতে পারে।
গতকাল বৃহস্পতিবার আবহাওয়া অফিসের এপ্রিল মাসব্যাপী পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এছাড়া, বঙ্গোপসাগরে ১-২ টি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে যার মধ্যে ১টি নিম্নচাপ/ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। দেশে বিক্ষিপ্তভাবে শিলাসহ ৫-৭ দিন হালকা/মাঝারি এবং ১-৩ দিন তীব্র কালবৈশাখি ঝড়সহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা চুয়াডাঙ্গায় ৩৮.৫ ডিগ্রি, গলে যাচ্ছে সড়কের পিচ:
চৈত্র পেরিয়ে বৈশাখ আসার আগেই আগাম তাপদাহে পুড়ছে চুয়াডাঙ্গা। জেলাজুড়ে বইছে মাঝারি তাপপ্রবাহ। ফলে জনজীবনে নেমে এসেছে অস্বস্তি আর ক্লান্তি। একইসঙ্গে প্রখর রোদ আর এই ভ্যাপসা গরমে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া দিনমজুর, শ্রমিক ও রিকশাচালকরা। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার এ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক জাহিদুল হক জানান, একদিনের ব্যবধানে চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে ২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আদ্রতার পরিমাণ ৩৪ শতাংশ। বৃহস্পতিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড ৩৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বুধবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তিনি আরও বলেন, মাঝারি তাপ প্রবাহের কারণে জনজীবনে গরম অনুভূত হচ্ছে। তাপমাত্রা প্রতিদিনই বাড়বে জেলায়।
এদিকে সরেজমিনে শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার সামনে সড়কসহ বেশ কয়েকটি স্থানে পিচ গলে যাচ্ছে। এতে যানবাহন চলাচলের সময় গলিত পিচ টায়ারে লেপ্টে গিয়ে বাড়াচ্ছে ভোগান্তি। চুয়াডাঙ্গা শহরের মোটরসাইকেল চালক হানিফ ইসলাম বলেন, এই গরমে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা খুব কষ্টকর। মাথা ঘুরে যায়। তেল নিতেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে, এর মধ্যে গরমে শরীর একেবারে ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছে।
আরেক চালক রবিউল হক বলেন, সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। রোদে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে শরীর খারাপ হয়ে যাচ্ছে। তেলের জন্য যেমন কষ্ট, তার ওপর এই গরমণ্ড দুটো মিলে অবস্থা খুব খারাপ। দিনমজুর আব্দুল মালেক বলেন, রোদ এত বেশি যে কাজ করতে পারি না ঠিকমতো। তবুও পেটের দায়ে কাজ করতে হচ্ছে। দুপুরের রোদে শরীর জ্বলতে থাকে।
