সুসংবাদ প্রতিদিন

কলাচাষে সচ্ছলতা ফিরছে কৃষকের

প্রকাশ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  এস,এম, তফিজ উদ্দিন, সিরাজগঞ্জ

সিরাজগঞ্জে এবার কলা চাষে বাম্পার ফলন হয়েছে। বাজারে দাম ভালো থাকায় অনেক কৃষকের সচ্ছলতা ফিরে এসেছে। সারা বছরই লাভজনক-এ চাষ করে থাকেন কৃষকরা। খরচ কম হওয়ায় জেলার বিভিন্ন স্থানে বাড়ছে কলা চাষ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, জেলার ৯টি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ২৮৭ হেক্টর জমিতে মৌসুমি কলা বাগান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে কৃষকরা লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি কলাচাষ করেছে। জেলার উল্লাপাড়া, তাড়াশ, রায়গঞ্জ, কামারখন্দ ও সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে কলা চাষ হয়। যমুনা নদীর চরাঞ্চলেও কলাচাষ হয়ে থাকে। এছাড়া গ্রামাঞ্চলের বাড়ির আঙিনা, পুকুরপাড়, ভিটেমাটি রাস্তার ধারে কলা চাষ করা হয়।

কৃষকরা বগুড়া, জয়পুরহাট ও অন্যান্য স্থান থেকে কলার চারা সংগ্রহ করে সারা বছরই কলা চাষ করেন। এ অঞ্চলে সরপি, সাগর, আনাজি, চিনি চাম্পা, রঙিন, ভিম এঁটে জাতের কলা বেশি দেখা যায়। এর মধ্যে সরপি, সাগর ও চিনি চাম্পা কলার চাষ বেশি হয়ে থাকে। বর্তমানের হাট-বাজারে প্রতি হালি কলা বিক্রি হচ্ছে গড়ে ৩০-৫০ টাকায়। অবশ্য বাজারে সরপি ও সাগর কলার কদর বেশি।

স্থানীয় কৃষকরা বলছেন, কম খরচে লাভ বেশি হওয়ায় কলাচাষ বাড়ছে। বিশেষ করে প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকরা এ চাষে ঝুঁকে পড়েছে এবং অনেক কৃষকের কলা চাষে সচ্ছলতা ফিরে এসেছে। সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার যমুনা নদী এলাকার শৈলাবাড়ি গ্রামের আদর্শ কৃষক আব্দুল হান্নান প্রায় ১ বিঘা জমিতে কলা বাগান চাষ করেছেন। আশপাশের লাভজনক কলা বাগান দেখে আগ্রহী হয়ে এবার তিনি নিজেও এ বাগান করেছেন। এতে খরচ বাদে অনেকটাই লাভ হবে বলে তিনি আশা করছেন।

এ বিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক একেএম মঞ্জুরে মওলা আলোকিত বাংলাদেশকে বলেন, কম খরচে কলাবাগান চাষ লাভজনক। এ চাষে কৃষকের আগ্রহ বাড়তে শুরু করেছে। কৃষি বিভাগ থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এ বছর কলাচাষে বাম্পার ফলন হয়েছে। বাজার ভালো থাকায় অনেক কৃষকের সচ্ছলতা ফিরে এসেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।