টাইম ম্যাগাজিন

১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  আলোকিত ডেস্ক

২০২৬ সালের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকা প্রকাশ করেছে টাইম ম্যাগাজিন। এ তালিকায় বিশ্বনেতা ও নীতিনির্ধারকদের মধ্যে স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

তালিকায় আরও রয়েছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ, পোপ চতুর্দশ লিও, কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি, ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন, মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শেনবাউম, নামিবিয়ার প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট নান্দি নাদাইতওয়া, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) মহাপরিচালক রাফায়েল মারিয়ানো গ্রসি, জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি ও ইউরোপী ইউনিয়নের প্রযুক্তি প্রধান হেনা ভিরকুনেন। তারেক রহমান সম্পর্কে টাইম ম্যাগাজিন লিখেছে, মাত্র কয়েক মাস আগেও তিনি ছিলেন লন্ডনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সবুজঘেরা এলাকায় নির্বাসিত এক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। কিন্তু ২০২৪ সালে বাংলাদেশের স্বৈরশাসক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতন বদলে দেয় পুরো রাজনৈতিক সমীকরণ।

বিএনপির তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তখন বিরোধী আন্দোলনের মুখপাত্র থেকে পরিণত হন দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের কেন্দ্রীয় চরিত্রে।

১৭ বছর দেশের বাইরে থাকার পর ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনে ভূমিধস বিজয়ের মাধ্যমে তিনি সেই প্রত্যাশিত অবস্থান নিশ্চিত করেন। এই বিজয় তাকে আবারও তার পরিবারের রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের ধারায় ফিরিয়ে আনে। তার মা প্রয়াত খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী। তবে তারেক রহমান দেশে ফেরার মাত্র পাঁচ দিন পরই খালেদা জিয়ার মৃত্যু ঘটে, যা তার ব্যক্তিগত শোককে আরও গভীর করে তোলে।

জানুয়ারিতে টাইম ম্যাগাজিনের সঙ্গে সাক্ষাৎকারের সময় সেই শোক তখনো তাজা ছিল। তবুও তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, দেশের ১৭ কোটি ৫০ লাখ মানুষের ঐক্য প্রতিষ্ঠা ও অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করার কাজে তিনি এই আবেগকে শক্তি হিসেবে ব্যবহার করবেন। বাংলাদেশ বর্তমানে উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও তরুণ বেকারত্বের চাপে রয়েছে, পাশাপাশি আঞ্চলিক শক্তি ভারতের সঙ্গে সম্পর্কও ইতিহাসের সবচেয়ে নিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে। এসব সংকট দ্রুত সমাধানের দাবি রাখে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে, ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, যাতে মানুষ তাদের রাজনৈতিক অধিকার ফিরে পায়।