এসি বন্ধ, তবুও বিদ্যুৎ খরচ
প্রকাশ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
প্রযুক্তি ডেস্ক

ভ্যাপসা গরমে স্বস্তি পেতে এসি এখন বিলাসিতা নয়, বরং অনেকের কাছেই প্রয়োজনীয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভ্যাপসা গরমে স্বস্তি পেতে এসি এখন বিলাসিতা নয়, বরং অনেকের কাছেই প্রয়োজনীয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু এসি চালানোর সঙ্গে সঙ্গেই কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলে আকাশচুম্বী বিদ্যুৎ বিল। অনেকে বিল কমাতে রিমোট দিয়ে বারবার এসি বন্ধ করেন, কিন্তু মাস শেষে দেখা যায় বিল আগের মতোই বেশি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রিমোট দিয়ে এসি বন্ধ করলেও আপনার অজান্তেই বিদ্যুৎ খরচ হতে পারে। মাত্র এক সেকেন্ডের একটি সাধারণ অভ্যাসেই আপনি এই বাড়তি বিল অর্ধেক কমিয়ে আনতে পারেন।
অধিকাংশ ব্যবহারকারী রাতে ঘুমানোর সময় বা রুম ঠান্ডা হয়ে গেলে কেবল রিমোটের ‘অফ’ বাটন টিপে এসি বন্ধ করেন। এখানেই রয়ে যায় বড় গলদ। রিমোট দিয়ে এসি বন্ধ করলে ইনডোর ইউনিট বা ভেতরের অংশটি বন্ধ দেখায় ঠিকই, কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে এসির আউটডোর ইউনিট বা মূল সিস্টেমটি ‘স্ট্যান্ডবাই’ মোডে থেকে যায়। এতে ইনডোর ইউনিট বন্ধ থাকলেও বিদ্যুৎ খরচ পুরোপুরি বন্ধ হয় না।
যেহেতু আউটডোর ইউনিটটি ঘরের বাইরে থাকে, তাই সেটি চলছে কি না তা অনেক সময় ভেতরে বসে বোঝা সম্ভব হয় না। এই অবস্থায় এসি বন্ধ মনে হলেও কম্প্রেসর বা সিস্টেমের ভেতরে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে থাকে। এর ফলে ২৪ ঘণ্টা এসি চালানোর সমান বিল আসার আশঙ্কা তৈরি হয়, যা আপনার পকেটের ওপর বড় প্রভাব ফেলে।
বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয় করতে এবং এসির আয়ু বাড়াতে নিচের পদ্ধতিটি অনুসরণ করুন-
মেইন সুইচ বন্ধ করুন : রিমোট দিয়ে এসি বন্ধ করার পর অবশ্যই দেওয়ালের মেইন সুইচ বা প্লাগ বোর্ড থেকে এসি বন্ধ করুন। এতে এসির পাওয়ার কানেকশন পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হবে এবং এক ইউনিট বিদ্যুৎও অতিরিক্ত খরচ হবে না।
কম্প্রেসরের নিরাপত্তা : রিমোট দিয়ে বন্ধ করে মেইন লাইন চালু রাখলে কম্প্রেসর ক্রমাগত স্ট্যান্ডবাই মোডে থাকে, যা দীর্ঘমেয়াদে মেশিনের ক্ষতি করতে পারে। মেইন সুইচ থেকে বন্ধ করার অভ্যাস শুধু আপনার বিদ্যুৎ বিলই কমাবে না, বরং এসির কম্প্রেসরকেও সুরক্ষিত রাখবে।
মনে রাখবেন, সচেতনতাই পারে আপনার আরামদায়ক গ্রীষ্মকে সাশ্রয়ী করে তুলতে। আজ থেকেই এসি বন্ধের সময় রিমোটের পাশাপাশি মেইন সুইচের ব্যবহার নিশ্চিত করুন।
