রাঙামাটিতে ইউপিডিএফ সদস্যকে গুলি করে হত্যা
প্রকাশ : ১০ মে ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
রাঙামাটি প্রতিনিধি
রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে প্রসীত খীসার নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) এক সদস্যকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এ নিয়ে পাহাড়ে তিন দিনে দুটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটল। গতকাল শনিবার ভোরে সাজেক ইউনিয়নের মারিশ্যা-দীঘিনালা সড়কের শুকনোছড়ি এলাকার ১০ নাম্বার পাড়ায় এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন সাজেক থানার ওসি তোফাজ্জল হোসেন।
নিহত ইউপিডিএফ সদস্য হেগেরা চাকমা (৪৯) সাজেক ইউনিয়নের রেতকাবা গ্রামের রঙ্গমনি চাকমার ছেলে। এই ঘটনায় সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া বিবৃতিতে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ইউপিডিএফের মুখপাত্র অংগ্য মারমা।
বিবৃতিতে তিনি খাগড়াছড়ির দীঘিনালার কবাখালী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের জোড়াব্রীজ এলাকার শুকনোছড়া গ্রামে উক্ত হত্যার ঘটনাটি ঘটেছে জানিয়ে বলেন, ‘ইউপিডিএফ সদস্য হেগেরা চাকমা ওরফে তরুণসহ দুই জন শুকনোছড়া গ্রামের একটি বাড়িতে রাত যাপন করেন। সেখান থেকে ভোর ৫টা ৪৫ মিনিটের দিকে সাংগঠনিক কাজের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার সময় আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা ঠ্যাঙাড়ে (ইউপিডিএফ-গণতান্ত্রিক) সন্ত্রাসীরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।’
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে তিনি উক্ত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জেকশন চাকমা ও আশীষ ত্রিপুরাসহ ১১ জন অংশ নেন বলে দাবি করেন এবং বর্ণ চাকমা নামে একজন নেতৃত্বে রয়েছেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেন গণতান্ত্রিক ইউপিডিএফের সংগঠক অমর চাকমা। তিনি বলেন, ‘ইউপিডিএফের অভিযোগটা রাজনৈতিক বক্তব্য। ওই এলাকায় আমাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম নেই। হত্যাকাণ্ডে আমরা জড়িত না। তাদের অভ্যন্তরীণ বিরোধ থেকে হতে পারে।’
সাজেক থানার ওসি তোফাজ্জল হোসেন বলেন, আমরা ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছি। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আমাদের কাছে এই বিষয়ে এখনও কেউ অভিযোগ করেনি।
এর আগে বৃহস্পতিবার ভোরে খাগড়াছড়ির পানছড়িতে ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিকের সদস্য ইমন হোসেনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এই ঘটনার জন্য ইউপিডিএফ (প্রসীত) কে দায়ী করেছিল ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিকের নেতারা।
