সব স্তরে বাড়ছে সিগারেটের দাম

নিকোটিন পাউচের দাম বাড়ল

প্রকাশ : ১২ জুন ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  নিজস্ব প্রতিবেদক

নতুন অর্থবছরে সব স্তরের সিগারেটে দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে সরকার। গতকাল বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বাজেট বক্তৃতায় নতুন দাম ঘোষণা করেন। রাজস্ব সম্ভাবনা ও স্বাস্থ্যঝুঁকির ‘সর্বোচ্চ সমন্বয়’ করতে অর্থমন্ত্রী তামাক ও তামাকজাত পণ্যের ক্ষেত্রে এ প্রস্তাব করেন। তিনি বলেন, ‘সিগারেটের নূন্যতম খুচরা মূল্য নিম্নস্তরের ক্ষেত্রে প্রতি ১০ শলাকা ৬২ টাকা, মধ্যম স্তর ৯২ টাকা, উচ্চ স্তর ১৬০ টাকা এবং অতি উচ্চ স্তর ২১০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করছি।’ বর্তমানে ১০ শলাকার এক প্যাকেট নিম্ন স্তরের সিগারেটের মূল্য ৬০ টাকা। সেই হিসাবে এই স্তরে দাম বাড়তে যাচ্ছে দুই টাকা। মধ্যম স্তরের ১০ শলাকার সিগারেটের দাম বর্তমানে ৮০ টাকা। ৯২ টাকা হলে ১২ টাকা বাড়তি গুনতে হবে ভোক্তাদের। উচ্চ স্তরের সিগারেটে বর্তমানে প্রতি প্যাকেটে দাম পড়ে ১৪০ টাকা। এই স্তরে বাড়তে যাচ্ছে ২০ টাকা। বাজেটে সবচেয়ে বেশি দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে প্রিমিয়াম বা অতি-উচ্চ স্তরের সিগারেটের ক্ষেত্রে। এই স্তরে ১০ শলাকার সিগারেটের দাম ১৮৫ টাকা থেকে ২৫ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।

নিকোটিন পাউচের দাম বাড়ল : তামাকমুক্ত ও ধোঁয়াবিহীন হওয়ায় ওরাল নিকোটিন পাউচ বা নিকোটিনযুক্ত থলে সাম্প্রতিক সময়ে তামাকসেবীদের মধ্যে জনপ্রিয়তা পেলেও স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনায় এর দাম বেঁধে দেওয়ার পাশাপাশি অতিরিক্ত কর বসানো হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী গতকাল বৃহস্পতিবার তার বাজেট বক্তৃতায় এ পণ্যের ওপর সম্পূরক শুল্ক বসানোর ঘোষণা দেন। অর্থমন্ত্রী নিকোটিন পাউচের প্রতি ১০ গ্রাম পণ্যের মূল্য ৫০০ টাকা নির্ধারণ করে দিয়ে এর ওপর ৪০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক প্রস্তাব করেছেন। একই ধরনের বিধানের আওতায় পড়েছে উত্তপ্ত তামাক পণ্য বা এইচটিপি। এক্ষেত্রে প্রতি ১০ শলাকায় ২১০ টাকা দাম নির্ধারণ করে ৬৭ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক বসানো হয়েছে। ফলে এ পণ্যের দাম ও শুল্কহার এখন উচ্চ মূল্যস্তরের বা প্রিমিয়াম সিগারেটের মত হল। এছাড়া অবৈধ তামাক পণ্যের বাণিজ্য ঠেকাতে তামাক পণ্যের উৎপাদন ও সরবরাহ নিবিড় মনিটরিং করার জন্য ‘ট্র্যাক অ্যান্ড ট্রেস’ পদ্ধতি প্রণয়নের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী।