সুসংবাদ প্রতিদিন

সরকারি মুরগি প্রজনন ও উন্নয়ন খামারে ফিরছে সচ্ছলতা

প্রকাশ : ১৭ জুন ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  এস,এম তফিজ উদ্দিন, সিরাজগঞ্জ

সিরাজগঞ্জে সরকারি মুরগি প্রজনন ও উন্নয়ন খামারে উৎপাদিত বাচ্চা কিনে এলাকার প্রান্তিক মুরগি খামারিদের মধ্যে বেশির ভাগ খামারির সচ্ছলতা ফিরে পেয়েছে। কম দামে এ মুরগির বাচ্চা কিনে লালন পালনে তাদের এই সচ্ছলতা ফিরে এসেছে।

খামারের ম্যানেজার বাহালুল করিম জানান- সরকারি মুরগি প্রজন্ন ও উন্নয়ন খামারে বর্তমানে ১৫৮৩টি (সোনালী) মুরগি রয়েছে এবং ১৮৯টি মোরগ রয়েছে। এ খামারে বর্তমানে ১৯৮৫টি বাচ্চা রয়েছে। এ বাচ্চা ক্রমাগতভাবে বিক্রি হচ্ছে এলাকার প্রান্তিক মুরগি খামারিদের কাছে। বিশেষ করে প্রান্তিক মহিলা খামারিরাই এসব বাচ্চা বেশি ক্রয় করে থাকে। চলতি অর্থবছরে ১ লাখ বাচ্চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল। সেখানে উৎপাদিত হয়েছে ১ লাখ ৩০ হাজার বাচ্চা। প্রতি সপ্তাহে ৩ হাজার বাচ্চা উৎপাদিত হয়ে থাকে এবং প্রায় সাড়ে ৪০০ জন প্রান্তিক খামারিদের কাছে উৎপাদিত এ মুরগির বাচ্চা সরকারি মূল্য ১৫ টাকা হারে বিক্রি করা হয়েছে। এ পর্যন্ত প্রায় ৩৯ লাখ টাকার বাচ্ছা বিক্রি করা হয়েছে। এ টাকা সরকারি রাজস্ব তহবিলে এরমধ্যেই জমা দেয়া হয়েছে। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, এ সরকারি মুরগি প্রজন্ন ও উন্নয়ন খামারে একজন ম্যানেজারসহ ১৭ জন কর্মচারী থাকার কথা। কিন্তু সেখানে দীর্ঘদিন ধরে ম্যানেজারসহ মাত্র ৬ জন কর্মচারী রয়েছে। এ জনবল সংকটের কারণে উৎপাদন ব্যহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তবে দিনরাত কাজ করে এ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি বাচ্চা উৎপাদন করা হয়েছে। আর নির্ধারিত জনবল থাকলে উৎপাদন আরও বেশি হতো। বিশেষ করে এ খামারের হ্যাচারি ও অপারেটর বিভাগের আবুল কাশেম মোল্লা নামে একজন কর্মচারী রয়েছে। তিনিসহ এ বিভাগে কমপক্ষে ৩ জন কর্মচারী প্রয়োজন রয়েছে। এছাড়াও এ সংকটে খামারি মুরগি লালন পালনে নানা জটিলতার সৃষ্টি হচ্ছে। ১৭ জনের কাজ মাত্র ৬ জনকেই করতে হচ্ছে। এ বিষয়ে এ প্রতিবেদকের এক প্রশ্নাত্তোরে তিনি বলেন, জনবল সংকটের বিষয়ে একাধিকবার সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। এ জনবল সংকটের বিষয়ে এখনও নিরসন হয়নি। তবে আগামী ২/১ মাসের মধ্যে এ নিরসন হতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।