এইচএসসি পরীক্ষা অভিন্ন প্রশ্নে
প্রকাশ : ১৯ জুন ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আগামী ২ জুলাই থেকে শুরু হবে। এবার সব কয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
তিনি বলেন, এইচএসসিতে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার সব ধরনের ব্যবস্থা করেছি। এখন দেখি কী হয়। প্রত্যেকটা বোর্ডের একটা প্রতিযোগিতা থাকে, মূলত সেজন্য এমন সিদ্ধান্ত।
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরীক্ষার সময় ঝড়, অতিবৃষ্টি, বন্যা অথবা যে কোনো দুর্যোগ হলে বিকল্প ব্যবস্থা রাখব। প্রশ্নপত্র তো আগেই পৌঁছে যাবে। পরীক্ষার সময় সমস্যা হলে তার জন্য ব্যবস্থা আছে। এ নিয়ে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মাধ্যমিকে ফিরছে ভর্তি পরীক্ষা, থাকছে না কেন্দ্রীয় ব্যবস্থা : আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে মাধ্যমিক স্তরের ভর্তি কার্যক্রমে বড় পরিবর্তন আনছে সরকার। লটারিভিত্তিক ভর্তি পদ্ধতি বাতিল করে নতুন ব্যবস্থায় ক্যাচমেন্ট এরিয়া ও পরীক্ষার সমন্বয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। তবে এ ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয়ভাবে কোনো ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। গতকাল বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।
মন্ত্রী বলেন, ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে, তবে তা কেন্দ্রীয়ভাবে একক কোনো ব্যবস্থায় নয়। ক্যাচমেন্ট এরিয়া বিবেচনায় নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হবে। ফলে সব জায়গায় একই ধরনের পরীক্ষা পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে না।
তিনি আরও জানান, আগে যেভাবে স্থানীয় বাস্তবতা বিবেচনায় ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হতো, নতুন ব্যবস্থাতেও সেভাবেই ক্যাচমেন্ট এরিয়া ও পরীক্ষার সমন্বয় করা হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা সেভাবে যাচ্ছি না। আগে যেমন ভর্তি পরীক্ষা ছিল, তেমনই ক্যাচমেন্ট এরিয়া ও পরীক্ষার সমন্বয়ে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।’
ভর্তি পরীক্ষার ধরন ও কাঠামো সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত করা হয়নি। এ বিষয়ে কাজ চলছে এবং সময়মতো পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা জানানো হবে। প্রসঙ্গত, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে মাধ্যমিক স্তরে লটারিভিত্তিক ভর্তি পদ্ধতি বাতিল করে নতুন ব্যবস্থা চালুর সিদ্ধান্ত এরই মধ্যে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নতুন ব্যবস্থায় এলাকার ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার পাশাপাশি মূল্যায়নেরও সুযোগ রাখা হচ্ছে।
