‘কাইল্লা’ পলাশ বাঁচলেন না
প্রকাশ : ২১ জুন ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকার রামপুরায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার এক সপ্তাহ পর মারা গেলেন ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ ইয়াসিন খান পলাশ ওরফে ‘কাইল্লা’ পলাশ। গতকাল শুক্রবার রাত ১ টার দিকে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন হাতিরঝিল থানার ওসি মো. আসাদুজ্জামান।
মৃত্যুর পর লাশের ময়নাতদন্তসহ পরবর্তী ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান তিনি। গত ১২ জুন দুপুর পৌনে ২টার দিকে রামপুরায় বাংলাদেশ টেলিভিশন ভবনের উল্টো দিকে নিজের বাসার কাছে পলাশ গুলিবিদ্ধ হন পলাশ। গুরুতর অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে দুই দিন চিকিৎসার পর অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় গেল রোববার রাতে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। এরপর থেকে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন।
ঘটনার পর পলাশের স্ত্রী মাহমুদা খানম হাতিরঝিল থানায় হত্যা চেষ্টার মামলা করেন। মামলায় জিসান আহমেদ মন্টি নামে একজনকে প্রধান আসামি করা হয়েছে, যাকে শীর্ষ সন্ত্রাসী বলা হয়েছে এজাহারে।
এ ছাড়া বাদশা ওরফে গুজা বাদশা, গলদা বাদশা, শান্ত ওরফে পিচ্চি শাš, সোলাইমান খন্দকার, ফারুক ওরফে চাচা ফারুক, হেবেল, মোল্লা জনি, ফিরোজ মোহাম্মদ মোল্লা, পিচ্চি আলামিন ওরফে তোতলা আলামিন এবং সজীবের নাম রয়েছে আসামি তালিকায়। নাম না জানা সাত-আটজনকেও আসামি করা হয়েছে।
এজাহারে মাহমুদা খানম বলেন, পূর্বপরিকল্পিতভাবে পরস্পরের যোগসাজশ ও সহায়তায় এক অস্ত্রধারী তার স্বামীকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করেন। এপর গত শনিবার ঢাকার বাড্ডা এলাকা থেকে ইমাম হোসেন নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পুলিশকে বলেছিল, পলাশকে গুলি ছোড়া ব্যক্তি যে বাইকে পালিয়ে যান, সেটির চালক ছিলেন ইমাম। গত সোমবার ফেরদৌস নামে আরেকজনকে গ্রেপ্তার করে থানায় হস্তান্তর করে র্যাব। ঘটনার দিন ফেরদৌস ঘটনাস্থল ও আশপাশে অবস্থান করছিলেন বলে দাবি করেছিল পুলিশ।
ওসি আসাদুজ্জামান জানান, পলাশের বিরুদ্ধে হত্যাসহ অন্তত ৭টি মামলা রয়েছে।
