তারেক রহমানকে ইইউর গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরামে আমন্ত্রণ
প্রকাশ : ০৭ জুলাই ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক
ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডের লায়েন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরাম ২০২৭-এ মূল বক্তব্য দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। গতকাল সোমবার বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার এ আমন্ত্রণপত্র হস্তান্তর করেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রস্তাবিত এ সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডের লায়েনের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ারও সুযোগ সৃষ্টি হবে। বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর এ ফোরামে অংশগ্রহণের মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়নের গ্লোবাল গেটওয়ে উদ্যোগের আওতায় টেকসই অবকাঠামো, ডিজিটালায়ন, জ্বালানি, পরিবহন, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে সহযোগিতা এবং বিনিয়োগের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। বৈঠকে রাষ্ট্রদূত মিলার, ইউরোপীয় কমিশনের সহ-সভাপতি এবং পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তানীতিবিষয়ক ইইউর উচ্চ প্রতিনিধি কাজা কাল্লাসের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় পাঠানো অভিনন্দনপত্রও হস্তান্তর করেন।
বৈঠকে বাংলাদেশ-ইউরোপীয় ইউনিয়ন সম্পর্কের সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করা হয় এবং বাণিজ্য, বিনিয়োগ, ব্যবসা, প্রযুক্তি, আঞ্চলিক ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতা আরও জোরদারের উপায় নিয়ে আলোচনা হয়।
এ সময় প্রস্তাবিত বাংলাদেশ-ইইউ বিজনেস ফোরাম ২০২৭, আসন্ন উচ্চপর্যায়ের সফর ও বৈঠক, বাংলাদেশ-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (এফটিএ) সম্ভাবনা এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়েও মতবিনিময় হয়।
আলোচনায় আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি, জাতিসঙ্ঘ-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় এবং দীর্ঘস্থায়ী রোহিঙ্গা সংকটও গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসে।
উভয়পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের দীর্ঘদিনের অংশীদারত্ব আরো শক্তিশালী করার বিষয়ে তাদের অভিন্ন অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরামের তৃতীয় আসর আগামী ২০২৭ সালের ৮ ও ৯ জুন অনুষ্ঠিত হবে।
ইউরোপীয় কমিশনের আয়োজনে এ ফোরামে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, সরকারি প্রতিনিধি, আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং বেসরকারি খাতের নেতারা অংশ নেবেন। এর লক্ষ্য হলো, ইউরোপীয় ইউনিয়নের বৈশ্বিক সংযোগ ও অবকাঠামো বিনিয়োগ কৌশলকে এগিয়ে নেওয়া।
