বিদ্যুৎমন্ত্রীর প্রশ্ন
পরীক্ষার হলে ঘাড় ঘোরাতে দেয় না, এটা কি আন্দোলনের বিষয় হলো?
প্রকাশ : ১৮ জুলাই ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তিনি বলেছেন, আমাদের সময়ও পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছি। পরীক্ষার হলে ঘাড় ঘোরাতে দেয় না- এটা কি আন্দোলনের বিষয় হলো? গতকাল শুক্রবার দুপুরে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধন এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন ইউনিয়নে স্প্রে মেশিন, নলকূপ, সেলাই মেশিন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উঁচু-নিচু বেঞ্চ ও ক্রীড়াসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী আন্দোলনের প্রসঙ্গে আরও বলেন, এই বিষয়টিও আমরা দেখছি। কারও না কারও সন্তানই এসব করছে। শিক্ষামন্ত্রী একটা ভালো পরীক্ষা ব্যবস্থা চালু করতে চান, যাতে কেউ নকল করে পাস করতে না পারে এবং শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার মধ্যে থাকে। এজন্য তিনি খারাপ হয়ে গেলেন? এখন নাকি তার পদত্যাগ করতে হবে। বিদ্যুতের দাম প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, যারা মাসে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন, তাদের বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়নি। কারণ গ্রামাঞ্চলে অধিকাংশ পরিবার ৭৫ ইউনিটের বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার করে না। প্রান্তিক মানুষ যেন কষ্ট না পায়, সেটিই আমরা বিবেচনায় রেখেছি। তিনি বলেন, গত ৬ মাসে প্রধানমন্ত্রী প্রশাসনে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। প্রধানমন্ত্রী প্রতিদিন সকাল ৯টার ১০ মিনিট আগে সচিবালয়ে পৌঁছান। ফলে ৯টার মধ্যেই কর্মকর্তারা নিজ নিজ কর্মস্থলে উপস্থিত থাকেন। জাতিকে পুনর্গঠন করাই প্রধানমন্ত্রীর বড় চ্যালেঞ্জ। মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে কাজ করছে। এ লক্ষ্যেই ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড চালু করা হয়েছে।
নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের লক্ষ্য ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন। সৌরবিদ্যুতের জ্বালানির কোনো খরচ নেই। এর ফলে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি আমদানি কমবে এবং বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে।
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মামুন খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম, পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চুসহ স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক ব্যক্তিরা।
