অলি আহমদের জন্য মনোনয়নপত্র নিল ১১ দলীয় ঐক্য
প্রকাশ : ১১ আগস্ট ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক
রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে এলডিপির চেয়ারম্যান অলি আহমদের জন্য মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। গতকাল সোমবার সকালে ১১-দলীয় জোটের একটি প্রতিনিধিদল নির্বাচন কমিশনে গিয়ে নির্বাচনি কর্তার কার্যালয় থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে। পরে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ সাংবাদিকদের বলেন, যদি সংস্কার হতো, অলি আহমদ সবার কাছে গ্রহণযোগ্য প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হতেন। এই সম্ভাবনা সমুজ্জ্বল ছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্য এটা জাতির জন্য। হামিদুর রহমান বলেন, ‘বিএনপির দ্বিচারিতার কারণে অথবা তাদের সংস্কারের ব্যাপারে ইতিবাচক মানসিকতা না থাকার কারণে জাতি এখান থেকে বঞ্চিত হলো। একজন দক্ষ, যোগ্য লোকের সার্ভিস থেকে রাষ্ট্র বঞ্চিত হলো।’
নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থী বিজয়ী হবেন, তারপরও জামায়াত জোট কী কারণে প্রার্থী দিল- এমন প্রশ্নের জবাবে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘এখানে জয়-পরাজয়টি বিষয় না। আমরা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াটা সামনে নিয়ে আসছি। সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদ বলা আছে, রাষ্ট্রের সর্বস্তরের রাষ্ট্র পরিচালনাব্যবস্থার নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে পরিচালনা করতে হবে। এখানে যদিও প্রতিনিধি সেভাবে না, রাষ্ট্রের তো প্রধান ব্যক্তি, পদমর্যাদাসম্পন্ন, রাষ্ট্রের অভিভাবকত্বের জায়গা হলো রাষ্ট্রপতির পদ। এখানেও যদি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় হয়ে যায়, তাহলে গণতন্ত্রচর্চা হচ্ছে না। আমরা গণতান্ত্রিক ধারাটাকে ফিরিয়ে আনতে চাই।’
হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘বিএনপি রাষ্ট্র ও জনগণের সঙ্গে যে দ্বিচারিতা করেছে, সেটা জাতির সামনে আনতে চাই। গণভোটের রায়টা, জনগণের রায়টা বিএনপি বাস্তবায়ন করেনি। সেটা বাস্তবায়িত হলে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংস্কারের মধ্যেই চলে আসত।’
জামায়াত নেতা আযাদ বলেন, ‘এখন সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারবেন না। এখানে তাদের ভোটাধিকার দিয়ে তার অধিকারের ওপর আপনি হস্তক্ষেপ বা নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে গেছেন। আমরা এই জায়গা থেকেই জাতিকে মুক্ত করতে চেয়েছি। সংসদ সদস্যদের এই স্বাধীনতা, ভোটাধিকার যে নিয়ন্ত্রিত, সেই জায়গাটাকে মুক্ত করতে চেয়েছি। গণভোটের রায় বাস্তবায়িত হলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সঠিক গণতন্ত্রের প্রতিফলনটা ঘটত।’
