গঠিত হচ্ছে অধিদপ্তর

রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পাবেন গুম খুন ও নির্যাতনের শিকার পরিবারগুলো

বললেন মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

প্রকাশ : ১৬ আগস্ট ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  নিজস্ব প্রতিবেদক

গত ১৭ বছরে গুম, খুন ও বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের শিকার পরিবারগুলোকে রাষ্ট্রীয় মূল্যায়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী আহমেদ আজম খান। তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, এসব পরিবারের কল্যাণ ও সহায়তার জন্য নতুন একটি অধিদপ্তর গঠন করা হবে এবং তাদের গেজেটভুক্ত করে দেওয়া হবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি।

গতকাল শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা জানান তিনি। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি ফাউন্ডেশন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী বলেন, নির্যাতিতদের পরিবারগুলোর জন্য সরকার কিছু করতে চায়। এ সংক্রান্ত নতুন করে একটি অধিদপ্তর করা হবে এবং তাদের গেজেটভুক্ত করে স্বীকৃতি দেওয়া হবে।

জুলাই অভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তড়িঘড়ি করে যেসব গেজেটের কাজ বন্ধ করা হয়েছিল, বঞ্চিতদের মূল্যায়নে তা পুনরুজ্জীবিত করা হয়েছে। বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে বাদ পড়া বিএনপি নেতাকর্মীদেরও তালিকা পর্যালোচনা করে মূল্যায়ন করা হবে।

বিদ্যমান অর্থনৈতিক ও জ্বালানি সংকট নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, গত ১৮ বছরের জঞ্জাল মাত্র কয়েক মাসে পরিষ্কার করা সম্ভব নয়। বিদ্যুৎ, গ্যাস ও অর্থনৈতিক সংকটের দায় বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশ পুনর্গঠনে বদ্ধপরিকর এবং সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেই এগিয়ে যাওয়া হবে।

প্রয়াত নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মৃতি ও জনপ্রিয়তার কথা স্মরণ করে আহমেদ আজম খান বলেন, খালেদা জিয়া জীবিতকালেও যেমন ইতিহাস ছিলেন, মৃত্যুর পরও ইতিহাস হয়ে আছেন। তার জানাজায় কোটি কোটি মানুষের অংশগ্রহণ পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল ঘটনা।

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। তিনি দেশনেত্রীর ব্যক্তিগত সান্নিধ্যের স্মৃতিচারণ করে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এম জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য শিরিন সুলতানা, সেলিনা সুলতানা নিশিতা, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাছের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ এবং কৃষক দলের সহসভাপতি জামাল উদ্দিন খান মিলন।