উপকারী ঘরোয়া পানীয়

প্রকাশ : ২০ আগস্ট ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  স্বাস্থ্য ডেস্ক

পুষ্টিবিদদের পরামর্শ অনুযায়ী, পর্যাপ্ত পানি পান, পুষ্টিকর খাবার খাওয়া ও বিশ্রামের পাশাপাশি কিছু ঘরোয়া পানীয় শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে এবং গলার অস্বস্তি কমাতে সহায়ক হতে পারে।

তুলসি-আমলকির পানীয় : দিনের শুরুতে হালকা ও সতেজ পানীয় হিসেবে তুলসি-আমলকি ও আদার মিশ্রণ খেতে পারেন। আমলকিতে ভিটামিন সি রয়েছে। অন্যদিকে তুলসি ও আদা দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন ঘরোয়া পানীয়তে ব্যবহার হয়ে আসছে। একটি ব্লেন্ডারে ৪ থেকে ৬টি তুলসীপাতা নিন। চাইলে কয়েকটি পুদিনাপাতাও যোগ করতে পারেন। এবার অর্ধেক আমলকি অথবা ১ চা চামচ লেবুর রস দিন। এর সঙ্গে এক টুকরো আদা বা সামান্য কাঁচা হলুদ যোগ করুন।

সবশেষে এক চিমটি বিট লবণ ও দেড় কাপ পানি অথবা ডাবের পানি দিয়ে সব উপকরণ ভালোভাবে ব্লেন্ড করে নিন। এরপর ছেঁকে পান করতে পারেন। সকালে খালি পেটে পান করার কথা বলা হলেও যাদের গ্যাস্ট্রিক বা অমøতার সমস্যা রয়েছে, তারা খালি পেটে না খেয়ে খাবারের পর পান করতে পারেন।

হলুদণ্ডদুধ : সন্ধ্যায় গরম দুধের সঙ্গে হলুদ মিশিয়ে তৈরি করতে পারেন আরেকটি উষ্ণ পানীয়। গরম তরল গলার অস্বস্তিতে আরামদায়ক অনুভূতি দিতে পারে। হলুদের সঙ্গে সামান্য গোলমরিচ যোগ করলে স্বাদেও ভিন্নতা আসে। এক গ্লাস গরম দুধে সামান্য কাঁচা হলুদ গ্রেট করে মিশিয়ে নিন। এরপর এক চিমটি দারুচিনি গুঁড়া ও এক চিমটি গোলমরিচ যোগ করুন। ভালোভাবে নেড়ে হালকা গরম অবস্থায় পান করুন। তবে দুধে অ্যালার্জি বা দুধ হজমে সমস্যা থাকলে এই পানীয় এড়িয়ে চলাই ভালো।

হলুদের উষ্ণ পানীয় : গলা খুসখুস বা অস্বস্তি হলে উষ্ণ আদা-হলুদের পানীয় চুমুক দিয়ে খেতে পারেন। এটি দিনে ২ থেকে ৩ বার পান করার জন্য আগে থেকেই তৈরি করে রাখা যায়। ব্লেন্ডারে আদা, কাঁচা হলুদ ও সামান্য গোলমরিচ দিয়ে ভালোভাবে বেটে নিন। তৈরি হওয়া মিশ্রণটি একটি বরফের ট্রেতে ঢেলে ফ্রিজারে রেখে দিন। জমে গেলে ছোট ছোট কিউব তৈরি হবে। গলায় অস্বস্তি হলে একটি কিউব কাপে নিয়ে তার ওপর গরম পানি ঢেলে দিন। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে কুসুম গরম অবস্থায় ধীরে ধীরে চুমুক দিয়ে পান করুন।