সম্পদ বিক্রি করে আরও ৫৮৬৮ গ্রাহকের বিমা দাবি পরিশোধের উদ্যোগ
প্রকাশ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক
দীর্ঘদিন আটকে থাকা বৈধ বিমা দাবি পরিশোধে আরও বড় উদ্যোগ নিয়েছে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)। সংশ্লিষ্ট জীবন বিমা কোম্পানিগুলোর সম্পদ, সিকিউরিটি বন্ডসহ বিভিন্ন উৎস থেকে অর্থের সংস্থান করে দ্বিতীয় দফায় ৫ হাজার ৮৬৮ জন পলিসিধারীর ২৩ কোটি ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৯৭১ টাকা বিমা দাবি পরিশোধের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) পাঁচটি জীবন বিমা কোম্পানির এসব পলিসিধারীকে তাদের প্রাপ্য অর্থ পরিশোধ করা হবে।
আইডিআরএ সূত্রে জানা গেছে, দ্বিতীয় দফায় পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির ৩ হাজার ৬০০ জন পলিসিধারীর ১২ কোটি টাকা পরিশোধ করা হবে। হোমল্যান্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্সের এক হাজার ১৪৫ জন পাবেন ৪ কোটি ৯৮ লাখ ৮ হাজার ৫১৪ টাকা।
এছাড়া ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ৫৮০ জন পলিসিধারীর ৫ কোটি টাকা, সানফ্লাওয়ার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ৩০০ জনের ৫৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা এবং সানলাইফ ইন্স্যুরেন্সের ২৪৩ জন পলিসিধারীর ৫০ লাখ ১৮ হাজার ৪৫৭ টাকা পরিশোধ করা হবে। সব মিলিয়ে দ্বিতীয় দফায় ৫ হাজার ৮৬৮ জন পলিসিধারীর ২৩ কোটি ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৯৭১ টাকা বিমা দাবি নিষ্পত্তি হচ্ছে।
এর আগে গত ৩ সেপ্টেম্বর আইডিআরএর উদ্যোগে প্রথম দফায় সাতটি জীবন বিমা কোম্পানির ২ হাজার ৫৪৯ জন পলিসিধারীর বিমা দাবি পরিশোধ করা হয়। ওই দফায় মোট ১৪ কোটি ৫১ লাখ ৩ হাজার ১৪৬ টাকা ৫৮ পয়সা পরিশোধ করা হয়। দুই দফা মিলিয়ে এখন পর্যন্ত মোট ৮ হাজার ৪১৭ জন পলিসিধারীর ৩৭ কোটি ৫৪ লাখ ৬০ হাজার ১১৭ টাকা ৫৮ পয়সা বিমা দাবি পরিশোধের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আইডিআরএর চেয়ারম্যান মীর নাদিয়া নিভিনের নেতৃত্বে পলিসিধারীদের ন্যায্য দাবি পরিশোধ, বিমা খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং গ্রাহকের আস্থা পুনর্গঠনের লক্ষ্যে এ কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে।
কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর সম্পদ ও সিকিউরিটি বন্ডসহ বিভিন্ন উৎস থেকে অর্থের সংস্থান করে দীর্ঘদিনের অপরিশোধিত বৈধ দাবি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে বিমা খাতে দীর্ঘদিন ধরে তৈরি হওয়া গ্রাহকদের অনাস্থা কাটিয়ে আনার পাশাপাশি পলিসিধারীদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
আইডিআরএ জানিয়েছে, দীর্ঘদিনের অপরিশোধিত বৈধ বিমা দাবি নিষ্পত্তির কার্যক্রম এখানেই শেষ নয়। অবশিষ্ট বৈধ ও অপরিশোধিত দাবিগুলো যাচাই-বাছাই এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পর্যায়ক্রমে পরিশোধ করা হবে।
