যেভাবে হৃদরোগের ঝুঁকি কমাবেন
প্রকাশ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
স্বাস্থ্য ডেস্ক

তামাক ব্যবহার হৃদরোগের বড় ঝুঁকি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাবে, বিশ্বে প্রতিবছর প্রায় ১৯ লাখ মানুষ তামাকের কারণে হৃদ্রোগে মারা যায়। বাংলাদেশে প্রতিবছর হৃদরোগে মারা যাওয়া মানুষের সংখ্যা প্রায় ২ লাখ ৭৭ হাজার; এর ২৪ শতাংশ মৃত্যুর জন্য তামাক দায়ী বলে উল্লেখ করা হয়েছে। হৃদরোগের চিকিৎসায় শুধু রোগী ও পরিবারের সচেতনতা যথেষ্ট নয়; দ্রুত ও সহজলভ্য চিকিৎসাসেবাও নিশ্চিত করা জরুরি। হার্ট অ্যাটাকের ক্ষেত্রে উপসর্গ শনাক্ত করা, দ্রুত সাহায্য চাওয়া, রোগীকে উপযুক্ত হাসপাতালে নেওয়া এবং চিকিৎসা শুরু— প্রতিটি ধাপ গুরুত্বপূর্ণ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হৃদ্রোগ প্রতিরোধে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি ধূমপান বর্জন, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম জরুরি। ঝুঁকি নির্ধারণের জন্য বয়স, পারিবারিক ইতিহাস, তামাক ব্যবহার এবং বিদ্যমান রোগ বিবেচনায় নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাও গুরুত্বপূর্ণ।
যেভাবে হৃদরোগের ঝুঁকি কমাবেন—
নিয়মিত শরীরচর্চা : সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন প্রতিদিন ৩০ মিনিট শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। নিয়মিত হাঁটা, সিঁড়ি ব্যবহার কিংবা দৈনন্দিন কাজের মধ্যেও শারীরিক পরিশ্রমের সুযোগ তৈরি করা যায়।
খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন : অতিরিক্ত চর্বি, লবণ ও প্রক্রিয়াজাত খাবার কমিয়ে শাকসবজি, ফলমূল ও স্বাস্থ্যকর খাবার খাদ্যতালিকায় রাখা জরুরি। স্যাচুরেটেড ফ্যাটযুক্ত খাবারও সীমিত করা উচিত।
ওজন নিয়ন্ত্রণ : অতিরিক্ত ওজন হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ ও নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রমের মাধ্যমে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা প্রয়োজন।
ধূমপান বর্জন : ধূমপান হৃদ্রোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকি। ধূমপান ছাড়তে চিকিৎসকের পরামর্শ ও পরিবারের সহযোগিতা নেওয়া যেতে পারে।
মানসিক চাপ কমানো : দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। কাজের ফাঁকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম, ঘুম, বিনোদন এবং পরিবার-স্বজনের সঙ্গে সময় কাটানোর মাধ্যমে চাপ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা যেতে পারে।
