চুলকানির সমস্যায় করণীয়

প্রকাশ : ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  স্বাস্থ্য ডেস্ক

র‍্যাশ ছাড়াই টানা চুলকানি হলে সতর্ক হতে হবে। এটি কোনো জটিল রোগের লক্ষণও হতে পারে। চুলকানি ছয় সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হলে অবহেলা না করে ৪ ধরনের রক্ত পরীক্ষা করানো জরুরি। ত্বকে লাল দাগ, ফুসকুড়ি বা শুষ্ক, খসখসে ভাব থাকলে সেটা সাধারণত ত্বকেরই সমস্যা। কিন্তু ত্বক দেখতে স্বাভাবিক, শুধু নখের আঁচড়ের দাগ ছাড়া কিছুই নেই, অথচ বেশ কিছুদিন ধরে চুলকানির সমস্যা থাকলে, সেটি কিন্তু ভালো লক্ষণ নয়, এটি জটিল রোগেরও ইঙ্গিত হতে পারে।

চুলকানি লিভার বা কিডনির রোগেরও উপসর্গ হতে পারে। লিভারের সমস্যায় হাতের তালুতে আর পায়ের তলায় বেশি চুলকানি হয়। কিডনির সমস্যায় সাধারণত রাতের দিকে সারা শরীরে চুলকানি হয়। আবার থাইরয়েডের সমস্যাতেও সারা শরীরে চুলকানি হতে পারে। অনেক সময় রক্তস্বল্পতা বা শরীরে আয়রনের ঘাটতি থাকলে চুলকানির মতো উপসর্গ দেখা দেয়। ডায়াবেটিস হলে ত্বকেও তার রেশ পড়ে। রক্তে শর্করা বাড়তে শুরু করলে পানির ঘাটতি হতে থাকে। ফলে ত্বক শুকিয়ে যায় ও বিভিন্ন রকম লক্ষণ দেখা যায়।

বয়স বাড়লে ত্বক এমনিতেই শুষ্ক হয়ে চুলকাতে পারে, সেটা সব সময় বড় কিছুর লক্ষণ নাও হতে পারে। কিন্তু নতুন করে শুরু হওয়া বা ক্রমাগত বাড়তে থাকা চুলকানি এড়িয়ে যাওয়া ঠিক নয়।

কখন চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ নিতে হবে : টানা ছয়সপ্তাহের বেশি চুলকানি থাকলে। চুলকানির সঙ্গে চোখ বা ত্বক হলদেটে হয়ে গেলে। কারণ ছাড়াই ওজন কমে গেলে। চুলকানির সঙ্গে রাতে ঘাম বা জ্বর আসলে। গলায় বা শরীরের কোথাও কোনো গ্রন্থি ফুলে উঠলে।

যে ৪টি পরীক্ষা করানো জরুরি : লিভার ফাংশন টেস্ট, কিডনি ফাংশন টেস্ট, থাইরয়েড টেস্ট আর কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট (সিবিসি)— এ চারটি সাধারণ পরীক্ষাতেই বেশির ভাগ ক্ষেত্রে চুলকানির পেছনের আসল কারণ ধরা পড়ে। ত্বকে অন্য কোনো উপসর্গ না থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে চুলকানি থাকলে সেটাকে অবহেলা করবেন না। ক্রিম বা লোশনে কাজ না হলেই বুঝতে হবে সমস্যাটা ত্বকে নয় বরং, অন্য কোথাও রয়েছে।