নিম্নচাপ রূপ নিল গভীর নিম্নচাপে, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়ের নাম 'অর্ণব'
প্রকাশ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক
পূর্ব-মধ্য ও সংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত নিম্নচাপটি ঘনীভূত হয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে।
এটি আরও ঘনীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ঘূর্ণিঝড় হলে এর নাম হবে 'অর্ণব'। নামটি বাংলাদেশ প্রস্তাব করেছে। 'অর্ণব' শব্দের অর্থ হল সমুদ্র বা সাগর।
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার আওতাধীন উত্তর ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের (বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগর) ১৩টি দেশ— বাংলাদেশ, ভারত, ইরান, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, ওমান, পাকিস্তান, কাতার, সৌদি আরব, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইয়েমেন এই নামকরণ প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়। গতকাল রোববার আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে হয়, গভীর নিম্নচাপটি এদিন দুপুর ১২টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৮১০ কিলোমিটার, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৩০ কিলোমিটার, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৮৫০ কিলোমিটার এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৮০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল। আবহাওয়া দপ্তর বলছে, গভীর নিম্নচাপটি আরও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে সোমবার ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। পরবর্তীতে এটি দিক পরিবর্তন করে পশ্চিমবঙ্গ-উত্তর ওড়িশা উপকূলের দিকে অগ্রসর হয়ে বুধবার নাগাদ অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় আকারে ভারতের অন্ধ উপকূল অতিক্রম করার সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, গভীর নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৮ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের টানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার; যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিম্নচাপ কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর উত্তাল রয়েছে।
এ পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
এছাড়া উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
