তিন বছরে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি সাড়ে তিন গুণ

প্রকাশ : ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  নিজস্ব প্রতিবেদক

গত দুই বছরে উজ্জ্বল ইসলামের মাসিক আয় সাত থেকে আট হাজার টাকা বেড়ে প্রায় ৩৫ হাজার টাকা হয়েছে। তবে, আয় বাড়লেও স্বস্তি ফেরেনি তার সংসারে। সরকারি একটি সংস্থায় অস্থায়ী ভিত্তিতে কর্মরত উজ্জ্বলের আয়ের পুরোটাই চলে যায় সংসারের দৈনন্দিন খরচ মেটাতে। ফলে প্রতি মাসের মাঝামাঝি সময় থেকেই তাকে ধারদেনা করে চলতে হয়। পুরান ঢাকার রায়সাহেব বাজার এলাকায় মা, স্ত্রী ও ছোট ভাইকে নিয়ে উজ্জ্বলের সংসার। বাসাভাড়া, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও নিত্যপ্রয়োজনীয় বাজারের বাড়তি খরচ সামলাতে গিয়ে মৌলিক প্রয়োজনগুলোতেও কাটছাঁট করতে হচ্ছে তাকে। খাদ্যতালিকা থেকে মাছ-মাংস কেনা যেমন কমাতে হয়েছে, তেমনি অর্থের টানাটানিতে মায়ের চিকিৎসার খরচও ছেঁটে ফেলতে বাধ্য হচ্ছেন তিনি।

উজ্জ্বলের মতো নির্দিষ্ট আয়ের অনেক চাকরিজীবীই আজ একই সংকটে নিমজ্জিত। বেতন সামান্য বাড়লেও ব্যয়ের ঊর্ধ্বগতির কাছে তা পুরোপুরি ফিকে হয়ে যাচ্ছে। একই সংকটে পড়েছেন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত হাবিবুল হাসান। স্ত্রী, সন্তান ও মা-বাবাকে নিয়ে তার পাঁচজনের সংসার। একটি আইটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন তিনি। দুই বছরে তার বেতন প্রায় পাঁচ হাজার টাকা বেড়ে হয়েছে ৩০ হাজার টাকা। কিন্তুএই সময়ে সংসারের খরচ বেড়েছে প্রায় ৩০ শতাংশ। আগে বেতন থেকে নিয়মিত ৫ থেকে ১০ শতাংশ সঞ্চয় করা গেলেও এখন আর কিছুই জমাতে পারছেন না; উল্টো মাসের শেষ সপ্তাহে তাকে ঋণ করতে হচ্ছে।

কয়েক মাস আগে দেড় বছরের সন্তানের অস্ত্রোপচারের খরচ মেটাতে গিয়ে জমানো টাকা তো শেষ হয়েছেই, উল্টো ঋণ নিতে হয়েছে। সেই ঋণ শোধ করতে গিয়ে এখন ঠিকমতো বাজার করতেই হিমশিম খাচ্ছেন হাবিবুল। টাকার অভাবে গত মাসে সন্তানের ওষুধও কিনতে পারেননি তিনি।

জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির গতি আয়ের তুলনায় প্রায় সাড়ে তিন গুণ বেশি হওয়ায় নির্দিষ্ট আয়ের মানুষের জীবনপ্রবাহ চরম সংকটে পড়েছে। বিবিএসের জরিপ অনুযায়ী, জাতীয় পর্যায়ে পারিবারিক আয় বাড়লেও ব্যয়ের অঙ্ক তা ছাড়িয়ে গেছে। এর ফলে রাজধানীর নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর খাবার টেবিল থেকে পুষ্টিকর খাবার ক্রমান্বয়ে হারিয়ে যাচ্ছে এবং বেঁচে থাকার তাগিদে তাদের নিয়মিত ধারদেনা করতে হচ্ছে।

স্ত্রী ও চার ছেলেকে নিয়ে মাহমুদ জামিলের ছয়জনের সংসার। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন তিনি। ব্যয়বহুল বাসাভাড়া এড়াতে গাজীপুর থেকে প্রতিদিন রাজধানীর কারওয়ান বাজারে গিয়ে অফিস করেন। দুই বছর আগে তার বেতন ছিল ২৮ হাজার টাকা, যা বর্তমানে বেড়ে হয়েছে প্রায় ৪০ হাজার টাকা। তা সত্ত্বেও মাস শেষ হওয়ার আগেই তাকে ঋণের বোঝা মাথায় নিতে হয়।

চলতি বছর দুই ছেলের স্কুলের খরচ নতুন করে ব্যয়ের তালিকায় যুক্ত হয়েছে। স্কুল ফি ও আনুষঙ্গিক খরচ মেটাতেই তার মাসিক বেতনের প্রায় ৪০ শতাংশ চলে যায়। জমজ দুই ছেলের জন্য বাইরে থেকে দুধ কিনতে হয়। এর বাইরে গ্রামে থাকা মাকে প্রতি মাসে অন্তত পাঁচ হাজার টাকা পাঠান তিনি। সংসারের খরচ সামলাতে গিয়ে সন্তানদের অনেক আবদারই পূরণ করতে পারছেন না মাহমুদ।

চাকরিজীবীদের এমন অভিজ্ঞতার সঙ্গে মিল পাওয়া যায় বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) 'লিভিং স্ট্যান্ডার্ড সার্ভে-২০২৫'-এর তথ্যেও। জরিপ অনুযায়ী, জাতীয় পর্যায়ে একটি পরিবারের গড় মাসিক আয় ৩৩ হাজার ৫১৩ টাকা। বিপরীতে ব্যয় হচ্ছে ৩৫ হাজার টাকার বেশি। অর্থাৎ গড়ে আয়ের চেয়ে মাসিক ব্যয় বেশি ১ হাজার ৭৯৮ টাকা। অঞ্চলভেদে ব্যয়ের চিত্রেও রয়েছে বড় পার্থক্য।সিটি কর্পোরেশন এলাকায় পরিবারের গড় মাসিক ব্যয় ৪৬ হাজার ৭৭৮ টাকা, অন্যান্য শহরাঞ্চলে ৩৭ হাজার ৩৪৪ টাকা এবং গ্রামাঞ্চলে ৩২ হাজার টাকা। তবে, ব্যয় তুলনামূলক কম হলেও জীবনযাত্রার মৌলিক খরচ মেটাতে ঋণ নেওয়ার হার সবচেয়ে বেশি গ্রামাঞ্চলে।

বিবিএসের জরিপ অনুযায়ী, গত এক বছরে মৌলিক জীবনযাত্রার ব্যয় মেটাতে গ্রামের ৫১.৯১ শতাংশ পরিবারকে ঋণ করতে হয়েছে। অন্যান্য শহরাঞ্চলে এ হার ৪০.১৯ শতাংশ। ব্যয় বেশি হলেও সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ঋণ নেওয়া পরিবারের হার তুলনামূলক কম (৩২.১১ শতাংশ)। অর্থাৎ জীবনযাত্রার ব্যয় মেটাতে প্রায় অর্ধেক পরিবারকেই গত এক বছরে ঋণ নিতে হয়েছে।

জরিপে পরিবারের ব্যয়ের খাতভিত্তিক চিত্রেও আঞ্চলিক পার্থক্য উঠে এসেছে। জাতীয় পর্যায়ে পরিবারের গড় মাসিক ব্যয়ের প্রায় অর্ধেক যায় খাদ্য খাতে এবং বাকি অংশ খাদ্যবহির্ভূত খাতে। গ্রামাঞ্চলে খাদ্য খাতে ব্যয়ের অনুপাত বেশি হলেও অন্যান্য শহরাঞ্চলে খাদ্যবহির্ভূত খাতে বেশি। তবে, সিটি কর্পোরেশন এলাকায় পরিবারের গড় মাসিক ব্যয়ের ৫৬.৭ শতাংশই খাদ্যবহির্ভূত খাতে ব্যয় হয়।

২০২২ সালের খানার আয় ও ব্যয় জরিপের সঙ্গে তুলনা করলে এই ব্যবধান আরও স্পষ্ট হয়। ওই বছর পরিবারের গড় মাসিক আয় ছিল ৩২ হাজার ৪২২ টাকা এবং ব্যয় ছিল ৩১ হাজার ৫০০ টাকা। ২০২৫ সালে আয় ১ হাজার ৯১ টাকা বেড়ে হয়েছে ৩৩ হাজার ৫১৩ টাকা। বিপরীতে গড় মাসিক ব্যয় বেড়ে হয়েছে ৩৫ হাজার ৩১১ টাকা, যা ২০২২ সালের তুলনায় ৩ হাজার ৮১১ টাকা বেশি। অর্থাৎ তিন বছরে গড় পারিবারিক ব্যয় বৃদ্ধির হার আয় বাড়ার প্রায় সাড়ে তিন গুণ।

নিজের সংসারের আয়-ব্যয়ের হিসাব মেলাতে না পারার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে উজ্জ্বল ইসলাম বলেন, নতুন বাসায় উঠেছি এক বছরও হয়নি, তাই এখনও বাড়িভাড়া বাড়েনি। তবে, বিদ্যুৎ বিল বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। গত জুলাইয়ে বিদ্যুৎ বিল দিতে হয়েছিল ২ হাজার ২০০ টাকা, যা আগস্ট থেকে বেড়ে ৩ হাজার ৭০০ থেকে ৩ হাজার ৯০০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি তেল-সাবানসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামও ক্রমাগত বাড়ছে। তিনি জানান, আগে ৩৫০ টাকায় রুই মাছ কেনা গেলেও এখন তা কিনতে হচ্ছে ৪৫০ টাকায়। সবমিলিয়ে আগে যেখানে মাসিক বাজার খরচ ১৫ থেকে ১৮ হাজার টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল, বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২ থেকে ২৫ হাজার টাকায়।

মাসিক আয়ের ৮০ শতাংশের বেশি চলে যায় বাসাভাড়া ও বাজার খরচে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে বাজারঘাট, চিকিৎসা ও বিদ্যুতের ব্যয়। নিজস্ব কোনো বাহন না থাকায় প্রতিদিন গণপরিবহনে গুলশান-২ এর অফিসে যাতায়াত করতে হয়। সময়ে বাস না পেলে বিকল্প বাহন ভাড়া করতে হয়, যা বাড়তি খরচের কারণ হয়। যেভাবে ব্যয় বেড়েছে, সে তুলনায় বেতন বাড়েনি। মাস শেষে সবমিলিয়ে ৩৫ হাজার টাকার বেশি খরচ হয়ে যায়। ফলে সঞ্চয় তো দূরে থাক, উল্টো প্রতি মাসে ঋণ করতে হচ্ছে।

সংসারের খরচ সামলাতে গিয়ে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বাইরে ঘোরার সুযোগ বা খাবার খাওয়ার অভ্যাস পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে বলে জানান উজ্জ্বল। তিনি আরও বলেন, আগে নিয়মিত মাছ-মাংস কিনতে পারলেও এখন খরচের ধাক্কায় তা কমিয়ে দিতে হয়েছে। নিজের চিকিৎসাও ঠিকমতো করাতে পারি না। চিকিৎসা ও বিনোদন এখন আমার কাছে বিলাসিতা। টাকার অভাবে মায়ের চিকিৎসার খরচও কমাতে হচ্ছে। সৃষ্টিকর্তা না করুন, যদি কখনও চাকরি হারাই কিংবা বড় কোনো চিকিৎসা ব্যয় দেখা দেয়, তবে ধার করে বড় জোর এক থেকে দেড় মাস চলা সম্ভব হবে।

অন্যদিকে হাবিবুল হাসান বলেন, আগে বেতন থেকে নিয়ম করে ৫ থেকে ১০ শতাংশ জমাতে পারলেও এখন তা সম্ভব হচ্ছে না। আয়ের পুরো অংশই চলে যাচ্ছে বাসাভাড়া, বাজার ও সন্তানের পেছনে। কিছুদিন আগে দেড় বছরের সন্তানের অস্ত্রোপচারের খরচ মেটাতে জমানো টাকা ভাঙার পাশাপাশি ধারদেনা করতে হয়েছে। এখন সেই ঋণ শোধ করতে গিয়ে ঠিকমতো বাজারটাই করতে পারছি না। এমনকি টাকার অভাবে গত মাসে সন্তানের ওষুধও কিনতে পারিনি। আসলে আমাদের মতো মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ কারও কাছে মুখ ফুটে সাহায্যও চাইতে পারে না; সব কষ্ট মুখ বুজে সহ্য করতে হয়।

বেসরকারি চাকরিজীবী মাহমুদ জামিল সংসারের খরচ সামলাতে গিয়ে নানামুখী কাটছাঁটের কথা জানিয়ে বলেন, পরিবারের কেউ অসুস্থ হলে বাড়তি আর্থিক চাপ তৈরি হয়। তখন খরচ বাঁচাতে ডাল-সবজি খেয়েই দিন পার করতে হয়। সন্তানদের ইচ্ছাপূরণে মাঝে মাঝে ব্রয়লার মুরগি কেনা হলেও দাম বাড়ায় এখন তাও কমিয়ে দিয়েছি। গত দুই বছরে মাসিক বেতন প্রায় ১০ হাজার টাকা বাড়লেও আমার হিসাবে সংসারের খরচ বেড়েছে প্রায় দেড় গুণ। ফলে একজন বাবা হিসেবে সন্তানদের অনেক সাধারণ আবদারও পূরণ করতে পারছি না। যাতায়াত, খাবার থেকে শুরু করে ওষুধ— সবকিছুর খরচই লাগাতার বেড়ে চলেছে, যার কারণে কোনোভাবেই সঞ্চয় করা সম্ভব হচ্ছে না।

মানুষের আয় বাড়লেও ব্যয়ের গতি তার চেয়ে অনেক বেশি বলে মনে করেন বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. ফাহমিদা খাতুন। তিনি বলেন, দেশের বহু পরিবারের বর্তমান আয় দিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যয় মেটানোই কঠিন হয়ে পড়েছে। ২০২২ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে পরিবারের গড় মাসিক আয় ১ হাজার ৯১ টাকা বাড়লেও বিপরীতে ব্যয় বেড়েছে ৩ হাজার ৮১১ টাকা। অর্থাৎ আয় বাড়ার চেয়ে ব্যয়ের পরিমাণ প্রায় সাড়ে তিন গুণ বেশি দ্রুতগতিতে বেড়েছে। এতে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার ওপর প্রচণ্ড চাপ তৈরি হয়েছে। খাবার, চিকিৎসা, শিক্ষা ও বাসস্থানের মতো মৌলিক খাতের খরচ মেটাতে গিয়ে অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যয় কমাতে বাধ্য হচ্ছে মানুষ, যা তাদের সামগ্রিক জীবনযাত্রার মানেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

তিনি বলেন, মৌলিক ব্যয় মেটাতে গিয়ে গ্রামের ৫১.৯১ শতাংশ পরিবারের ঋণ নেওয়ার তথ্যটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। শহর বা সিটি কর্পোরেশন এলাকার পরিবারগুলোর ওপর চাপ কিছুটা কম মনে হলেও তারাও ঝুঁকির বাইরে নয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে অনেক পরিবারের হাতেই জরুরি বিপদ বা সংকট সামাল দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত সঞ্চয় নেই।

ফলে কেউ ধারকর্জ করছেন, কেউ জমানো শেষ সম্বল ভাঙছেন, আবার কেউ পুরোনো ঋণ শোধ করতে বাধ্য হয়ে নতুন ঋণ নিচ্ছেন। এভাবে ঋণের বোঝা বাড়তে থাকলে ভবিষ্যতে আয়ের একটি বড় অংশই তা পরিশোধে চলে যাবে। ফলে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও উৎপাদনশীল খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোতে ব্যয় কমিয়ে দিতে বাধ্য হবে পরিবারগুলো। যা শুধু পারিবারিক আর্থিক নিরাপত্তাকেই দুর্বল করবে না, বরং দেশের সামগ্রিক চাহিদা ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

এই সংকটময় পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং খাদ্য, চিকিৎসা, শিক্ষা ও যাতায়াত ব্যয় কমানো সবচেয়ে বেশি জরুরি বলে মনে করেন এই অর্থনীতিবিদ। তিনি বলেন, নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের জন্য লক্ষ্যভিত্তিক সামাজিক সহায়তা, সাশ্রয়ী মূল্যে বাসস্থানের ব্যবস্থা এবং মানসম্মত সরকারি সেবার পরিধি বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে মানুষের মজুরি ও বেতন যেন জীবনযাত্রার বাস্তব ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, সেই ব্যবস্থা নিশ্চিত করা আবশ্যক। পাশাপাশি নিরাপদ সঞ্চয়ের সুযোগ তৈরি, সহজ শর্ত ও প্রাপ্তিযোগ্য ঋণের ব্যবস্থা করতে হবে, যাতে পরিবারগুলো ঋণের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা কমিয়ে ভবিষ্যতে নিয়মিত সঞ্চয় গড়ে তোলার সুযোগ পায়।