কৃষিপণ্য রপ্তানিতে দেশে গামা ইরেডিয়েশন প্রযুক্তির সূচনা

জানালেন কৃষিমন্ত্রী

প্রকাশ : ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  গাজীপুর প্রতিনিধি

আন্তর্জাতিক মানে কৃষিপণ্য রপ্তানিতে দেশে গামা ইরেডিয়েশন প্রযুক্তির সূচনা বলে মন্তব্য করেছেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর-রশিদ। গতকাল শনিবার গাজীপুরের ভবানীপুরে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিনা) আঞ্চলিক গবেষণা স্টেশনে নবনির্মিত গামা ইরেডিয়েশন সেন্টারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি মন্তব্য করেন। মন্ত্রী বলেন, কৃষিপণ্যের সংরক্ষণক্ষমতা (সেলফ লাইফ) বাড়ানো, জীবাণুমুক্তকরণ এবং গুণগত মান বজায় রাখার ক্ষেত্রে এ প্রযুক্তি কার্যকর ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে দেশের কৃষিপণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে আরও প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠবে। কৃষিমন্ত্রী বলেন, দেশের অধিকাংশ মানুষ কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত। বর্তমান সরকার কৃষিপণ্যকে দেশের অন্যতম প্রধান রপ্তানি পণ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে কাজ করছে। রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের আমের গুণগত মান ভালো। গামা ইরেডিয়েশন প্রযুক্তির মাধ্যমে এসব আমের সংরক্ষণক্ষমতা বাড়ানো ও জীবাণুমুক্ত করা সম্ভব হলে আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানির পরিমাণ বাড়বে। তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি চীন থেকে আসা একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশের আম আমদানিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁঠালেরও ব্যাপক চাহিদা ও খাদ্যগুণ রয়েছে। তবে এসব পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখা জরুরি। এ লক্ষ্য পূরণে গামা ইরেডিয়েশন সেন্টার সময়োপযোগী উদ্যোগ। কৃষিমন্ত্রী বলেন, কৃষিপণ্যের পচন ও অপচয় রোধ এবং কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের সুরক্ষায় দেশের গুরুত্বপূর্ণ জেলাগুলোতেও পর্যায়ক্রমে এ ধরনের সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে ব্যয় কিছুটা বেশি হলেও প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে এসব কেন্দ্রের কার্যকারিতা বাড়ানো এবং দক্ষ কারিগরি দল গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি বলেন, 'কৃষির অর্থনীতি শক্তিশালী হলেই দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হবে। দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে গামা ইরেডিয়েশন সেন্টার কৃষি খাতকে সহযোগিতা করবে।'