ডাম ডিআইসি প্রকল্পের প্রাক্তন শিশুদের ‘পুনর্মিলনী’

প্রকাশ : ২০ নভেম্বর ২০২৫, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  আলোকিত ডেস্ক

ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের ড্রপ ইন সেন্টার অ্যান্ড নাইট শেল্টার প্রকল্পের উদ্যোগে ডাম ডিআইসি প্রকল্পের প্রাক্তন শিশুদের নিয়ে ‘পুনর্মিলনী’ আয়োজন করা হয়। পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানটি গতকাল ধানমন্ডিস্থ ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। পুনর্মিলনীতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, এনডিসি, মমতাজ আহমেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ন সচিব মো. ফিরোজ উদ্দিন খলিফা ও উপ পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) ড. একেএম ইকবাল হোসেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের সভাপতি অধ্যাপক ড. গোলাম রহমান। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. মোহাম্মদ খলিলউল্লাহ ও ডা. এসএম খলিলুর রহমান। প্রধান অতিথি মমতাজ আহমেদ বলেন, জন্ম হোক যথা তথা কর্ম হোক ভালো, তোমাদের মধ্যে আমরা ফ্রাস্টেশন দেখতে চাই না তোমরা সবসময় হাসিখুশি থাকবে। তোমরা ভবিষ্যতে যোগ্য নাগরিক হিসেবে তোমাদের যায়গা থেকে ভালো কাজ করবে এই শুভ কামনা করি। বিশেষ অতিথি মো. ফিরোজ উদ্দিন খলিফা বলেন, যার জ্ঞান আছে তিনি জ্ঞানী মানুষ, লেখাপড়া না জানলে তিনি মূর্খ। কিন্তু মূর্খ মানুষের জ্ঞান থাকলে সে জ্ঞানী মানুষ। শিক্ষা জ্ঞানকে বৃদ্ধি করে।

তাই নিজেকে শিক্ষিত করে জ্ঞানী করে তুলতে হবে। তিনি আরও বলেন, তোমরা অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতের পকিল্পনা করবে কিন্তু বর্তমানে কঠোরভাবে পরিশ্রম করবে। বিশেষ অতিথি ড. একেএম ইকবাল হোসেন বলেন, জীবনে ভালো ও খারাপ সময় আসবে আমরা তা আলিঙ্গন কতে তুলব। তোমরা ভালো কর্ম করলে ভালো থাকবে, আর খারাপ কর্ম করলে খারাপ থাকবে। এ প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষা নিয়ে হাজার হাজার কর্মী দেশ-বিদেশে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। স্কিল ডেভেলপন্টে করতে হবে তা না হলে বিশ্বায়নের যুগে এডাপ্টেশন হবে না। ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. মোহাম্মদ খলিলউল্লাহ বলেন, ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন পথশিশুদের উন্নয়নে কাজ করছে এটা অত্যান্ত সাকসেস স্টোরি। ইনভারমেন্টার ফান্ড তৈরি করতে পারলে সেলফ ইমপ্লয়মেন্ট করতে পারবে।

এই পথশিশুদের থেকে ৬৪০ জন সেলফ ইমপ্লয়মেন্ট হয়েছে এটা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক।

আমাদের কলেজের সঙ্গে কো-অর্ডিনেটর করতে পারলে তারা ফ্রি পড়তে পারবে। এখানে গবেষণা ও মনিটরিং দরকার। ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. এসএম খলিলুর রহমান বলেন, তোমাদের বক্তৃতা দেখে, তোমাদের বর্তমান চেহারা দেখে বোঝার উপায় নেই যে তোমরা সুবিধাবঞ্চিত দরিদ্র পরিবারের সন্তান। তোমাদের স্বপ্নের কথা যেভাবে এখানে উপস্থাপন করলে আমরাও কিন্তু এধরনের পারিনি। কেউ ডাক্তার, কেউ পাইলট আল্লাহ যেন তোমাদের মনোভাসনা পূরণ করেন। সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. গোলাম রহমান বলেন, ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের ড্রপ-ইন সেন্টারসহ ৩৭টি জনসেবামূলক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। সরকারের কাছে অনুরোধ এধরনের প্রতিষ্ঠানে যেন সহযোগিতা অব্যাহত রাখেন। অনুষ্ঠানে ড্রপ ইন সেন্টার অ্যান্ড নাইট শেল্টার প্রকল্পের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের নিয়ে উপস্থাপনা উপস্থাপন করেন শিক্ষা সেক্টরের কো-অরডিনেটর (এমএন্ডই) শফিকুর রহমান। সূত্র: সংবাদ বিজ্ঞপ্তি