শুধু ওষুধ ছিটিয়ে মশা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না
বললেন ডিএনসিসি প্রশাসক
প্রকাশ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

শুধু মশার ওষুধ ছিটিয়ে মশা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, কার্যকরভাবে মশা নিয়ন্ত্রণের জন্য সামাজিক সচেতনতা ও মনিটরিং বাড়াতে হবে। এ সময় প্রশাসক মশককর্মীদের সময়মতো ও আন্তরিকভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর উত্তরার ৬ নম্বর সেক্টর কমিউনিটি সেন্টারে ডিএনসিসির অঞ্চল- ১, ৬, ৭ ও ৮-এর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে পরিচিতি ও মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
সিটি কর্পোরেশনের চলমান সব টেন্ডারের কাজ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই শেষ করতে নির্দেশনা দিয়ে নবনিযুক্ত প্রশাসক বলেন, বিগত সময়ে টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না, সেটি যাচাই-বাছাই করা হবে। সব অভিযোগের যথাযথ তদন্ত করা হবে। তিনি বলেন, অবৈধভাবে সিটি কর্পোরেশনে আর কোনো কাজ হবে না। আমি এখানে কাজ করতে এসেছি। জনগণ যেন দেখে, আমরা শহরের জন্য কাজ করার চেষ্টা করছি।
ডিএনসিসির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে শফিকুল ইসলাম খান বলেন, নিজ নিজ কাজে মনোযোগী হতে হবে। সবাইকে যথাসময়ে কর্মস্থলে উপস্থিত থাকতে হবে। যে কোনো সময়ে আমাকে কাছে পাবেন। আমরা সবাই মিলে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করব। সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এসএম জাহাঙ্গীর হোসেন। তিনি বলেন, আমরা এসেছি জনগণের সেবা করার জন্য। আমাদের সাধ্য অনুযায়ী এলাকার উন্নয়নে কাজ করব। নতুন ওয়ার্ডগুলোতে বিগত সময়ে দৃশ্যমান কোনো উন্নয়ন হয়নি। সভায় আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তারা নাগরিক সেবা প্রদানসংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন। এ সময় হকার ব্যবস্থাপনা ও অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণের বিষয়েও আলোচনা হয়।
সিটি কর্পোরেশনের সব টেন্ডারের কাজ নির্দিষ্ট সময়ে শেষ করতে হবে : ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) নবনিযুক্ত প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, কর্পোরেশনের চলমান সব টেন্ডারের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সম্পন্ন করতে হবে। একই সঙ্গে বিগত সময়ে টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না, তা যাচাই-বাছাই করা হবে এবং সব অভিযোগের যথাযথ তদন্ত নিশ্চিত করা হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর উত্তরার ৬ নম্বর সেক্টর কমিউনিটি সেন্টারে ডিএনসিসির অঞ্চল-১, ৬, ৭ ও ৮-এর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে পরিচিতি ও মতবিনিময় সভায় প্রশাসক এসব কথা বলেন।
মশা নিয়ন্ত্রণ প্রসঙ্গে মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, শুধু মশার ওষুধ দিয়ে মশা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। কার্যকর ফল পেতে সামাজিক সচেতনতা ও মনিটরিং বৃদ্ধি করতে হবে। এ সময় তিনি মশককর্মীদের সময়মতো ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার কঠোর নির্দেশনা দেন। প্রশাসক আরও বলেন, ‘অবৈধভাবে সিটি কর্পোরেশনে আর কোনো কাজ হবে না। আমি এখানে কাজ করতে এসেছি। জনগণ যেন দেখে, আমরা শহরের জন্য কাজ করার চেষ্টা করছি।’ তিনি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিজ নিজ কাজে মনোযোগী হওয়ার এবং যথাসময়ে কর্মস্থলে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘যেকোনো সময়ে আমাকে কাছে পাবেন। আমরা সবাই মিলে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করব।’
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এসএম জাহাঙ্গীর হোসেন। তিনি বলেন, ‘আমরা জনগণের সেবা করার জন্য এসেছি। সাধ্যানুযায়ী এলাকার উন্নয়নে কাজ করব।’ তিনি উল্লেখ করেন, নতুন ওয়ার্ডগুলোতে বিগত সময়ে দৃশ্যমান কোনো উন্নয়ন হয়নি। দক্ষিণখানের জলাবদ্ধতা নিরসনে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ এবং উত্তরখানের মানুষের ভোগান্তি কমাতে সেখানে সিটি কর্পোরেশনের অফিস স্থাপনের আহ্বান জানান তিনি।
মতবিনিময় সভায় আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তারা নাগরিক সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে বিভিন্ন সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন। এ সময় হকার ব্যবস্থাপনা ও অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণের বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। সভায় ডিএনসিসির সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তারা এবং অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
