‘মাদক প্রতিরোধে প্রয়োজন টেকসই সমন্বিত উদ্যোগ’
প্রকাশ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
আলোকিত ডেস্ক

মাদক প্রতিরোধে প্রয়োজন বিজ্ঞানভিত্তিক ও টেকসই সমন্বিত উদ্যোগ- এমন মন্তব্য করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। গতকাল বুধবার বেলা ১১টায় বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে রাজধানীর ধানমন্ডিতে ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অব সাব্সটেন্স ইউজ প্রোফেশনালস (আইস্যাপ) বাংলাদেশ চ্যাপ্টার এবং ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের যৌথ উদ্যেগে অনুষ্ঠিত ‘ইয়ুথ ভয়েস ফর এভিডেন্স বেসড প্রিভেনশন : প্রিভেন্ট, ডোন্ট প্রোমোট’ শীর্ষক সেমিনারে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, কিশোর ও তরুণ বয়সেই মাদকের প্রতি কৌতূহল ও ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতা সর্বাধিক থাকে। তাই এই বয়সেই সঠিক তথ্য, জীবনদক্ষতা এবং ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। আইস্যাপ বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের চেয়ারম্যান ও সাইকোথেরাপি এবং সাইকিয়াট্রির অধ্যাপক ডা. এমএ মোহিত কামালের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের সভাপতি প্রফেসর ড. গোলাম রহমান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (যুগ্মসচিব) মোহাম্মদ গোলাম আজম এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাডুকেশনাল ও কাউন্সেলিং সাইকোলোজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মেহজাবিন হক। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন আইস্যাপ বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের মেম্বার সেক্রেটারি ও ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য ও ওয়াশ সেক্টরের পরিচালক ইকবাল মাসুদ।
এ সময় তারা মাদক প্রতিরোধে প্রথাগত পদ্ধতির পরিবর্তে বৈজ্ঞানিক ও প্রমাণভিত্তিক কৌশল অবলম্বনের আহ্বান জানিয়ে বলেন- মাদক শুধু ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য সমস্যা নয়, বরং এটি আমাদের সমাজ ও আগামী প্রজন্মের স্থিতিশীলতার জন্য একটি বড় হুমকি।
বক্তারা আরও বলেন, মাদকাসক্তি নির্মূলে শুধু চিকিৎসা নয়, বরং মানসিক স্বাস্থ্যসেবা এবং পুনর্বাসন প্রক্রিয়াকে আরও সহজলভ্য ও তরুণবান্ধব করা প্রয়োজন।
সেমিনারে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য সেক্টরের সিনিয়র সাইকোলজিস্ট রাখী গাঙ্গুলীর সঞ্চালনায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনা করেন আহ্ছানিয়া মিশন ইয়ুথ ফোরাম ফর হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিংয়ের সমন্বয়কারী মারজানা মুনতাহা। এ সময় মাদকের দিকে তরুণদের ঝুঁকে পড়ার মূল কারণ হিসেবে পারিবারিক অস্থিরতা, মানসিক স্বাস্থ্যের সংকট, সহপাঠীদের নেতিবাচক প্রভাব এবং সামাজিক বিচ্ছিন্নতাকে চিহ্নিত করা হয়। এই ঝুঁকিগুলো মোকাবিলায় পরিবারকে প্রতিরোধের প্রথম স্তম্ভ হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
