বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ড
১৩ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
প্রকাশ : ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীর বেইলি রোডে গ্রিন কোজি কটেজ নামে ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ৪৬ জনের মৃত্যুর ঘটনায় বিভিন্ন রেস্টুরেন্টের স্বত্ত্বাধিকারীসহ ২২ আসামির বিরুদ্ধে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) দেওয়া চার্জশিট আমলে গ্রহণ করেছেন আদালত। একই সঙ্গে পলাতক ১৩ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালত এই আদেশ দেন। একই সঙ্গে আগামী ১৯ মে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা সংক্রান্ত শুনানির জন্য দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত। প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক জিন্নাত আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ২২ জনের মধ্যে ৯ জন আদালতে হাজির ছিলেন। অন্য ১৩ জন অনুপস্থিত থাকায় আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন।
গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারিকৃত আসামিরা হলেন- আমিন মোহাম্মদ ফাউন্ডেশনের স্বত্ত্বাধিকারী মো. রমজানুল হক নিহাদ, মেজবানিখানা রেস্টুরেন্টের স্বত্ত্বাধিকারী লতিফুর নেহার, খালেদ মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ ও অঞ্জন কুমার সাহা, অ্যামব্রোশিয়া রেস্টুরেন্টের স্বত্ত্বাধিকারী মো. মুসফিকুর রহমান, পিৎজাইন রেস্টুরেন্টের স্বত্ত্বাধিকারী জগলুল হাসান, স্ট্রিট ওভেন রেস্টুরেন্টের স্বত্ত্বাধিকারী আশিকুর রহমান ও হোসাইন মোহাম্মদ তারেক, ফুকো রেস্টুরেন্টের স্বত্বাধিকারী রাসেল আহম্মেদ, মো. সাদরিল আহম্মেদ শুভ, আদিব আলম, রাফি উজ-জাহেদ ও শাহ ফয়সাল নাবিদ। অন্য আসামিরা জামিনে রয়েছে। এর আগে গত ২ এপ্রিল মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক শাহ জালাল মুন্সী ২২ জনের বিরুদ্ধে আদালতে এই চার্জশিট জমা দেন। অভিযোগপত্রে উল্লিখিত আসামিরা হলেন- চায়ের চুমুক কফিশপের স্বত্ত্বাধিকারী আনোয়ারুল হক, আমিন মোহাম্মদ ফাউন্ডেশনের স্বত্ত্বাধিকারী মো. রমজানুল হক নিহাদ, আমিন মোহাম্মদ ফাউন্ডেশনের ম্যানেজার মুন্সি হামিমুল আলম বিপুল, কাচ্চি ভাই, খানাজ এবং তাওয়াজ রেস্টুরেন্টের স্বত্ত্বাধিকারী মো. সোহেল সিরাজ, চায়ের চুমুক কফিশপের স্পেস মালিক ইকবাল হোসেন কাউসার।
