বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে আন্তর্জাতিক জাদুঘর দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে সেমিনার
প্রকাশ : ০৭ জুন ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
আলোকিত ডেস্ক

আন্তর্জাতিক জাদুঘর দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে ‘ডযবহ ঙনলবপঃং জবসবসনবৎ: ঈড়হংবৎারহম ঃযব ঈঁষঃঁৎধষ গবসড়ৎু ড়ভ ইধহমষধফবংয’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনার আয়োজন করে। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনে ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের ডিন অধ্যাপক ড. আবু সাঈদ এম আহমেদ, প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় স্থাপত্য যেমন- ইসলামি স্থাপনা, হিন্দু মন্দির, মুঘল আমলের মসজিদ এবং ঔপনিবেশিক যুগের বিভিন্ন ভবনের সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রমের বিভিন্ন দিক আলোচনা করেছেন। পাশাপাশি তিনি ঐতিহ্যবাহী স্থাপনাগুলোর ক্ষয়ের কারণ, বিশেষত প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট নানা হুমকি সম্পর্কে আলোকপাত করেছেন। কোনো ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা সংরক্ষণের ক্ষেত্রে শুধু সংস্কার কাজই যথেষ্ট নয় বরং ঐতিহাসিক গবেষণা ও সাহিত্য পর্যালোচনা, মৌখিক ইতিহাস সংগ্রহ, বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা, নথিভুক্তকরণ এবং সুপরিকল্পিত সংরক্ষণ কৌশল গ্রহণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা বলেন, বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও স্থাপত্য নিদর্শন সংরক্ষণের দায়িত্ব আমাদের সবার। সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের মাধ্যমে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে ইতিহাস ও সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে হবে। এ ধরনের আলোচনা ও গবেষণাভিত্তিক উদ্যোগ দেশের ঐতিহ্য সংরক্ষণ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আশা প্রকাশ করেন। সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর পর্ষদের সভাপতি স্থপতি মেরিনা তাবাসসুম বলেন, প্রতিটি প্রজন্মই তার নিজস্ব সময়ের ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক সম্পদের কষ্টডিয়ান বা অভিভাবক। আমাদের হাতে যে ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক সম্পদ রয়েছে, সেগুলো সংরক্ষণ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। এছাড়াও তিনি আরও বলেন, সাংস্কৃতিক খাতে আরও সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে আমাদের ঐতিহ্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে এবং ইতিহাস ও সংস্কৃতির ধারক-বাহক হিসেবে এসব সম্পদকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সুরক্ষিত রাখতে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। সূত্র : সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
