ডিবিটিবিষয়ক বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ সম্পন্ন
প্রকাশ : ১১ জুলাই ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
আলোকিত ডেস্ক

ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন (ডিএএম) ও আইস্যাপ বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের যৌথ উদ্যোগে মানসিক স্বাস্থ্য পেশাজীবীদের জন্য দুই দিনব্যাপী ডায়ালেকটিক্যাল বিহেভিয়ার থেরাপি (ডিবিটি) বিষয়ক বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। প্রশিক্ষণের প্রথম পর্ব অনুষ্ঠিত হয় ৩ জুলাই এবং দ্বিতীয় ও সমাপনী পর্ব অনুষ্ঠিত হয় গতকাল শুক্রবার ঢাকার ধানমন্ডিতে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের অডিটোরিয়ামে। প্রশিক্ষণটি পরিচালনা করেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক জাহির উদ্দিন। তিনি ডিবিটির মৌলিক ধারণা, ব্যবহারিক প্রয়োগ এবং মানসিক স্বাস্থ্য ও মনোসামাজিক সেবায় এ পদ্ধতির কার্যকারিতা নিয়ে অংশগ্রহণকারীদের প্রশিক্ষণ দেন। দুই দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ২২ জন মনোবিজ্ঞানী ও মানসিক স্বাস্থ্য পেশাজীবী অংশ নেন। প্রশিক্ষণে আবেগ নিয়ন্ত্রণে সমস্যা, আত্মক্ষতির প্রবণতা এবং অন্যান্য জটিল মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার ক্ষেত্রে ডিবিটি কৌশলের ব্যবহারিক প্রয়োগের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণ শেষে অনুষ্ঠিত সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সেক্টরের পরিচালক ইকবাল মাসুদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী পরিচালক (মেডিকেল সার্ভিসেস) ডা. নায়লা পারভীন। তারা প্রশিক্ষণার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বাংলাদেশে মানসম্মত মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রমাণভিত্তিক (Evidence-based) থেরাপিউটিক পদ্ধতির গুরুত্ব তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে ইকবাল মাসুদ বলেন, দেশে মানসম্মত মানসিক স্বাস্থ্যসেবার চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। এ প্রেক্ষাপটে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও অংশীদারিত্বমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে মানসিক স্বাস্থ্য পেশাজীবীদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং মানসম্পন্ন সেবা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আইস্যাপ বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের নিয়মিত কার্যক্রমের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো বিভিন্ন সক্ষমতা উন্নয়নমূলক উদ্যোগ বাস্তবায়ন এবং প্রতিরোধ, চিকিৎসা, পুনর্বাসন ও মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে বিজ্ঞানভিত্তিক কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়া। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী আগস্টে উইমেন ইন্টারভেনশন ফর সাবস্ট্যান্স ইউজ অ্যান্ড মেন্টাল হেলথ কারিকুলাম বিষয়ক একটি বিশেষায়িত প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হবে। অনুষ্ঠানের শেষে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে দেশে বিজ্ঞানভিত্তিক মানসিক স্বাস্থ্যসেবা ও মনোসামাজিক সহায়তা সম্প্রসারণে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন আয়োজক ও অংশগ্রহণকারীরা। সূত্র : সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
