ঝাল কমেছে কাঁচা মরিচের ডিমের হালি ৪৮ টাকা
প্রকাশ : ১২ আগস্ট ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
রংপুর ব্যুরো

রংপুরে সপ্তাহের ব্যবধানে কমেছে অধিকাংশ সবজির দাম। সেইসঙ্গে দাম কমেছে কাঁচামরিচেরও। তবে দাম বেড়েছে পোলট্রি মুরগির ডিমের। এছাড়া অপরিবর্তিত রয়েছে চাল-ডাল ও মাছ-মাংসের দাম। গতকাল মঙ্গলবার নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতিকেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ২২০-২৪০ টাকা। এছাড়া পেঁয়াজ গত সপ্তাহের মতোই ৪৫-৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে, খুচরা বাজারে পোলট্রি মুরগির লাল ডিমের হালি বিক্রি হচ্ছে ৪৬ থেকে ৪৮ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৪৪ থেকে ৪৫ টাকা।
টার্মিনাল বাজারের ডিম বিক্রেতা মজিবর রহমান বলেন, বাজারে ডিমের সরবরাহ কমে গেছে। গত সপ্তাহের তুলনায় দাম সামান্য বেড়েছে। সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে দাম আরও বাড়তে পারে। সবজি বাজার ঘুরে দেখা যায়, টমেটোর গত সপ্তাহের তুলনায় দাম কমে ১৪০-১৫০ টাকা থেকে হয়েছে ১২০-১৩০ টাকা, গাজর ১৪০-১৫০ থেকে কমে ১২০-১৩০, কাঁকরোল গত সপ্তাহের মতোই ৬০-৭০, ঝিংগা ৫৫-৬০, চালকুমড়ার (আকারভেদে) দাম কমে ৫৫-৬০ টাকা থেকে হয়েছে ৪০-৫০ টাকা, কাঁচকলার হালি ৩০-৩৫ টাকা থেকে কমে ২০-২৫, দুধুলি ৪৫-৫০ টাকা থেকে কমে ৩৫-৪০, শসা ৪০-৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৫০-৬০, লেবুর হালি আগের মতো ১০-১৫ টাকা, চিকন বেগুন ৬০-৭০ টাকা থেকে কমে ৫০-৬০, গোল বেগুন ৯০-১০০ টাকা থেকে কমে ৭০-৮০, পটল আগের মতো ৫৫-৬০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৫৫-৬০, পেঁপে ২৫-৩০, বরবটি ৭০-৮০ থেকে কমে ৬০-৭০ টাকা, করলা ৭০-৮০ টাকা থেকে কমে ৬০-৭০, লাউ (আকারভেদে) অপরিবর্তিত ৪০-৫০ টাকা, কচুরলতি ৬০-৭০ থেকে কমে ৫০-৬০ টাকা, কচুরমুখী আগের মতো ৫০-৬০, প্রতিকেজি ধনেপাতা ৮০-৯০ থেকে বেড়ে ১০০-১৫০, রকমভেদে শাকের আঁটি ১৫ থেকে ২৫ টাকা, মিষ্টিকুমড়া ৪৫-৫০ থেকে বেড়ে ৫০-৭০ টাকা, শুকনো মরিচ আগের মতোই ৪৫০-৫০০, কার্ডিনাল আলু গত সপ্তাহের মতোই ২২-২৫ টাকা, বগুড়ার লাল পাকড়ি আলু ৪০-৪৫, শিল আলু ৪৫-৫০ থেকে বেড়ে ৫০-৫৫ টাকা এবং ঝাউ আলু ৪০-৫০ থেকে বেড়ে ৫০-৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া দেশি আদা গত সপ্তাহের মতোই ২২০-২৪০ টাকা, আমদানি করা আদা ১৬০-১৮০ থেকে বেড়ে ২০০-২২০ টাকা, দেশি রসুন আগের মতো ১০০-১২০ টাকা এবং ভারতীয় রসুন ১৬০-১৮০ থেকে বেড়ে ১৮০-২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মুলাটোল আমতলা বাজারের সবজি বিক্রেতা হেলাল মিয়া বলেন, গত কয়েকদিন ধরে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ নেই বললেই চলে। বাজারে সবজি সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। কিছু সবজির মৌসুম শেষ হওয়ায় দাম বেড়েছে। তবে গত সপ্তাহের তুলনায় অধিকাংশ সবজির দাম কিছুটা কমেছে।
এদিকে, মুরগি বাজার ঘুরে দেখা যায়, ব্রয়লার মুরগি গত সপ্তাহের তুলনায় দাম কমে ১৮০-২০০ থেকে হয়েছে ১৭০-১৮০ টাকা, পাকিস্তানি সোনালি মুরগি গত সপ্তাহের মতোই ৩২০-৩৩০ টাকা, পাকিস্তানি হাইব্রিড জাতের মুরগি ২৮০-৩০০ টাকা, পাকিস্তানি লেয়ার ৩৩০-৩৫০ এবং দেশি মুরগি ৫৫০-৫৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া বাজারে গরুর মাংস ৭২০-৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১০০০ থেকে ১১০০ টাকা অপরিবর্তিত রয়েছে।
এদিকে, খুচরা বাজারে এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ২০০-২০৫ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেল ২০০-২২০ টাকা, মসুর ডাল (চিকন) গত সপ্তাহের মতোই ১৬০-১৮০ টাকা, মাঝারি ১০০-১১০ টাকা, মুগডাল ১৫০-১৬০ থেকে বেড়ে ১৬০-১৭০ টাকা, বুটের ডাল ১১০-১২০, খোলা চিনি ১০৫-১১০, ছোলাবুট ৯০-১০০, প্যাকেট আটা ৫৫-৬০, খোলা আটা ৪০-৪৫ এবং প্যাকেট ময়দা ৬৫-৭০ থেকে বেড়ে ৭০-৭৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। চালের বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত সপ্তাহের মতোই স্বর্ণা (মোটা) ৪৮-৫০ টাকা, স্বর্ণা (চিকন) ৫৫-৫৮ টাকা, বিআর২৮- ৬০-৬৫ টাকা, বিআর২৯- ৫৫-৬০ টাকা, জিরাশাইল ৫০-৬০ টাকা, মিনিকেট এবং নাজিরশাইল ৮০-৮৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, আকারভেদে রুইমাছ ৩০০-৩৮০ টাকা, টেংরা ৪০০-৫৬০, পাবদা ৩৫০-৪০০, মৃগেল ২২০-২৫০, কারফু ২৫০-২৬০, পাঙাশ ১৫০-২৫০, তেলাপিয়া ২০০-২৫০, কাতল ৩০০-৫০০, বাটা ১৮০-২৪০, শিং ৩০০-৪০০, সিলভার কার্প ১৮০-২৬০ এবং গছিমাছ ৮০০-১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
