ভূমিদস্যু ও চোরাকারবারিদের নির্মূল করতে হবে
প্রকাশ : ২৩ আগস্ট ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
রাজশাহী ব্যুরো

ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, ভূমিদস্যু ও মাদক চোরাকারবারিদের রাজশাহী থেকে নির্মূল করতে হবে। মাদকদ্রব্যের চোরাচালান রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও কঠোর হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। গতকাল শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর দপ্তরে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া কর্তৃক আরএমপির কার্যক্রম শুরুর পুনঃস্থাপন করা ঐতিহাসিক নামফলক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, ভূমিদস্যু ও মাদক চোরাকারবারিদের রাজশাহী থেকে নির্মূল করতে হবে। ১৭ বছর আগে স্বৈরাচারী সরকারের সময়ের আগে রাজশাহীর মানুষ খুব ভালো ও সহজ-সরল ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে আমরা দেখেছি, সীমান্তবর্তী এলাকার কেউ কেউ অবৈধভাবে শত শত কোটি টাকার চোরাচালান করছে। মাদকদ্রব্য রাজশাহীতে প্রবেশের চেষ্টা করছে। তারা জাতির শত্রু। আমি অনুরোধ করব, এসব কর্মকাণ্ড অত্যন্ত কঠোরভাবে দমন করা হোক। এরইমধ্যে আরএমপি খুব সুনাম অর্জন করেছে। আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে।
তিনি বলেন, ১৯৯২ সালে বেগম খালেদা জিয়া এই মাটিতে এসেছিলেন। রাজশাহীতে আরএমপি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। আরএমপি আজ বাংলাদেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশ আছে, নামকরণ বা কোনো কিছুর ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিবারের অনুমতি ছাড়া কোনো কিছু করা সম্ভব নয়। যেহেতু এটি পুনঃস্থাপন, এটি বেগম খালেদা জিয়া করে গিয়েছিলেন, সেজন্য আমরা এটি করছি।
বেগম খালেদা জিয়ার স্মৃতিচারণ করে মিজানুর রহমান মিনু বলেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থেকে রাজশাহীর আরএমপির শুভ সূচনা করেছিলেন তিনি। সেই সময় এখানে ভিত্তি প্রস্তুত করেছিলেন। আজকের এই দিনে তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। সমগ্র জাতি আজ তার জন্য কাঁদছে। বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে জীবন দিয়ে তিনি চিরদিনের জন্য আমাদের কাছ থেকে হারিয়ে গেছেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৩ আসনের এমপি শফিকুল হক মিলন, বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সুইট, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এরশাদ আলী ঈশা, বিভাগীয় কমিশনার ইউসুফ আলী, জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম ও আরএমপি কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবিরসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
