৭ ভরি স্বর্ণ ও ১৫ লাখ টাকা উদ্ধার, নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
প্রকাশ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক
চট্টগ্রাম নগরের আকবরশাহ এলাকায় দিনের বেলায় একটি বাসায় চুরির ঘটনায় নারীসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে চুরি যাওয়া ৭ ভরি স্বর্ণালংকার এবং স্বর্ণ বিক্রির ১৫ লাখ ১১ হাজার ৮০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া একটি মুঠোফোনও উদ্ধার করা হয়। গতকাল শুক্রবার বিকাল তিনটায় চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) পশ্চিম বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. আলমগীর হোসেন সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন জসিম উদ্দিন (৪৫), মোস্তাকিন হোসেন মিঠু (৪৭), সেতু দাস ওরফে সালাউদ্দিন (৪৩), মোহাম্মদ আলী (৪৩), দেবব্রত বণিক ওরফে বলাই বণিক (৩৭), মো. ইসমাইল (৩৩) ও ফারজানা বেগম (৩৮)।
সংবাদ সম্মেলনে সিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (পশ্চিম) মো. আলমগীর হোসেন জানান, গত ২৮ জুলাই দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আকবরশাহ এলাকার স্থানীয় ব্যবসায়ী ও 'বিসমিল্লাহ ফার্নিচার'-এর মালিক মো. আলমগীর মিয়া স্ত্রীকে নিয়ে চিকিৎসকের কাছে যান। দুপুর দেড়টার দিকে তার এক প্রতিবেশী বাসার দরজার হুক কাটা অবস্থায় দেখতে পান। পরে ঘরে ঢুকে দেখা যায়, জিনিসপত্র এলোমেলো করে রাখা হয়েছে। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চোরেরা ওই বাসার স্টিলের আলমারি ভেঙে প্রায় ১০ ভরি ৪ আনা স্বর্ণালংকার, যার আনুমানিক মূল্য ২০ লাখ টাকা, নগদ ২ লাখ টাকা, ১২ হাজার ৫০০ সৌদি রিয়াল এবং একটি আইফোন ১২ প্রো ম্যাক্স নিয়ে যায়। একই সময়ে পাশের বাসার বাসিন্দা নুরুল ইসলামের বাসার দরজার হুক ও আলমারি ভেঙে নগদ ৬০ হাজার টাকা, দেড় ভরি স্বর্ণালংকার ও একটি স্যামসাং অ্যান্ড্রয়েড ফোন চুরি করা হয়। এ ঘটনায় আলমগীর মিয়া আকবরশাহ থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্তে ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রথমে গত ৬ আগস্ট ডবলমুরিং থানা এলাকা থেকে জসিম উদ্দিন ও মোস্তাকিন হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ৭ আগস্ট কোতোয়ালি এলাকা থেকে সেতু দাস, মোহাম্মদ আলী ও দেবব্রত বণিককে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ১০ আগস্ট ডবলমুরিং এলাকা থেকে মো. ইসমাইল এবং ১৯ আগস্ট একই এলাকা থেকে ফারজানা বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়। উপ-পুলিশ কমিশনার (পশ্চিম) মো. আলমগীর হোসেন বলেন, গ্রেপ্তার মোহাম্মদ আলীকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার বাসার চালের ড্রামের ভেতর পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় ১৫ লাখ ১১ হাজার ৮০০ টাকা ও একটি মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়।
