খুলনায় প্রথম দফায় কৃষি কার্ড পাবেন ২৩ হাজার কৃষক

প্রকাশ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  বাসস

বিএনপি সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির অন্যতম অঙ্গীকার কৃষি কার্ড দেওয়ার কর্মসূচিতে খুলনায় প্রথম দফায় ৯টি ইউনিয়নকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব ইউনিয়নের ২৩ হাজার ১০৫ জন কৃষক কৃষি কার্ড পাবেন।

বর্তমান সরকারের আমলে ৫ বছরে পর্যায়ক্রমে জেলায় ৩ লাখ ৩৮ হাজার ৬০৩ জন কৃষক কৃষি কার্ড পাবেন। বিএনপির নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির অন্যতম ছিল ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড। এরই ধারাবাহিকতায় খুলনায় ৯টি ইউনিয়নের ২৩ হাজার ১০৫ জন কৃষককে শনাক্ত করা হয়েছে।

খুলনা কৃষি দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, কৃষকদের সুবিধার লক্ষ্যে ৯ উপজেলার ৯টি ইউনিয়নকে বেছে নেয়া হয়েছে। এসব ইউনিয়নগুলো কয়েকটি ব্লকে ভাগ করা হয়েছে। এরইমধ্যে দুটি ব্লকের (এরিয়া) জরিপের কাজ শেষ হয়েছে।

তৃতীয় ব্লকের জরিপের কাজ চলছে। ইউনিয়নগুলো হচ্ছে, রূপসা উপজেলার নৈহাটি, বটিয়াঘাটা উপজেলার আমিরপুর, দিঘলিয়া উপজেলার গাজিরহাট, ফুলতলা উপজেলার সদর, ডুমুরিয়া উপজেলার ভান্ডারপাড়া, তেরখাদা উপজেলার ছাগলাদাহ, দাকোপ উপজেলার সদর, পাইকগাছা উপজেলার হরিঢালি ও কয়রা উপজেলা সদর। কৃষি দপ্তর আরও জানায়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে ৭ সদস্যের কমিটি এ ৯ ইউনিয়নের ২৩ হাজার ১৫০ জন কৃষক কার্ড পাওয়ার যোগ্য বলে শনাক্ত করেছেন। এ কমিটির সদস্যরা মধ্য আগস্ট পর্যন্ত ১৮ হাজার ৪৭৯ জন কৃষকের নাম চূড়ান্ত করে তালিকা ব্যাংকে পাঠিয়েছে। কৃষকরা জনতা, সোনালী ও কৃষি ব্যাংক থেকে বার্ষিক অনুদানের অর্থ পাবে।

প্রত্যেক কৃষক বছরে আড়াই হাজার টাকা করে অনুদান পাবেন। কৃষি সম্পসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী কার্ডধারী কৃষকরা ন্যায্য মূল্যে সেচ, প্রশিক্ষণ, যন্ত্রপাতি, রোগ বালাই দমনে পরামর্শ, কৃষি পণ্য বিক্রির সুবিধা, কৃষি বীমা প্রশিক্ষণ, ভর্তুকি-প্রণোদনা, ঋণ ও কৃষি উপকরণ পাবেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খুলনার অতিরিক্ত উপ-পরিচালক মো. তৌহিদীন ভুইয়া বাসসকে বলেন, ব্যাংকের মাধ্যমে কৃষকরা কার্ড পাবেন। এটি ডেবিট কার্ড হিসেবে গণ্য হবে। এ কার্ডের মাধ্যমে প্রতিবছর কৃষকরা আড়াই হাজার টাকা করে সরকারি অনুদান পাবেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।