বাংলাদেশ যতদিন থাকবে, ফটো সাংবাদিকদের ইতিহাসও থাকবে

বললেন, আবদুস সালাম

প্রকাশ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশের ইতিহাসে ফটো সাংবাদিকদের ভূমিকা অনস্বীকার্য উল্লেখ করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম বলেছেন, বাংলাদেশ যতদিন থাকবে, ফটো সাংবাদিকদের ইতিহাসও ততদিন থাকবে।

তিনি বলেন, সমাজে যাদের দায়িত্ব বেশি এবং যারা বেশি ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেন, তারা অনেক সময় অবহেলিতই থেকে যান। ফটো সাংবাদিকরা দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকি নেন। গুলির মুখে, কাঁদানে গ্যাসের মধ্যে, লাঠিচার্জের সময়ও তাদের কাজ করতে হয়। অনেক সময় আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা করতে গিয়ে সাংবাদিকরাই বেশি মারধরের শিকার হন। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) পুরানা পল্টনে বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন (বিপিজেএ) হলরুমে আয়োজিত 'রূপসী বাংলা' প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

আবদুস সালাম বলেন, একজন সাংবাদিক অনেক সময় নিরাপদ দূরত্বে থেকে সংবাদ লিখতে পারেন। কিন্তু ফটো সাংবাদিককে ঘটনাস্থলে গিয়ে ছবি তুলতে হয়। ফলে তার ঝুঁকিটাও অনেক বেশি। অথচ দায়িত্বের তুলনায় ফটো সাংবাদিকরা যেভাবে মূল্যায়ন পাওয়ার কথা, সেভাবে মূল্যায়ন পান না। তিনি বলেন, একটি ছবি একটি ইতিহাস। বাংলাদেশের অভ্যুদয় থেকে পরবর্তী সময়ের বিভিন্ন সংগ্রাম ও আন্দোলনের ইতিহাসে ফটো সাংবাদিকদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। ১৯৭১, ১৯৭১-পরবর্তী সময় এবং বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলো ফটো সাংবাদিকরা ক্যামেরায় ধারণ করেছেন। এসব ছবি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ইতিহাস জানতে এবং অনুপ্রাণিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ফটো সাংবাদিকদের উদ্দেশে আবদুস সালাম বলেন, দায়িত্বের পাশাপাশি ফটো সাংবাদিকদের যে ঝুঁকি নিতে হয়, তা অন্য অনেক পেশার তুলনায় বেশি। তাই তাদের মূল্যায়ন ও সহযোগিতার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন। অনুষ্ঠানে বিপিজেএ সভাপতি এ কে এম মহসিন ও সাধারণ সম্পাদক বাবুল তালুকদার উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলম, সিনিয়র সাংবাদিক এ বি এম রফিকুর রহমান, নুরুদ্দিন আহমেদ, বিপিজেএর সহসভাপতি মশিউর রহমান সুমন, যুগ্ম সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বাদল, কোষাধ্যক্ষ নাসিম শিকদার, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক এম খোকন সিকদার, দপ্তর সম্পাদক ফরিদ উদ্দীন, নির্বাহী সদস্য শফিকুল আলম, আমিনুল ইসলাম প্রমুখ।