প্রধান শিক্ষক ছাড়াই চলছে বগুড়ার ৮১৬ প্রাথমিক বিদ্যালয়

প্রকাশ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  বগুড়া প্রতিনিধি

বছরের পর বছর পদোন্নতি বন্ধ থাকায় অবসরে যাওয়া প্রধান শিক্ষকদের পদ পূরণ হয়নি বগুড়ার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে। ফলে জেলায় প্রধান শিক্ষক সংকট এখন প্রকট আকার ধারণ করেছে। ১ হাজার ৬০৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৮১৬টিতেই নেই প্রধান শিক্ষক। এতে বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে শুরু করে পাঠদান ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় বাড়ছে চাপ।

দীর্ঘদিনের এ অচলাবস্থার পেছনে থাকা আইনি জটিলতার অবসান হয়েছে গত ২ জুলাই আপিল বিভাগের রায়ে। এতে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির পথ খুললেও বগুড়ার ৮১৬টি বিদ্যালয়ের শূন্য পদ পূরণের প্রক্রিয়া এখনো শুরু হয়নি। বর্তমানে উপজেলা পর্যায়ে সহকারী শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতার তালিকা তৈরির কাজ চলছে। পরে তালিকাটি জেলা হয়ে যাবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, পুরো প্রক্রিয়া শেষ করতে দেড় থেকে দুই মাস সময় লাগতে পারে। তবে দীর্ঘ এক দশকের অচলাবস্থা কাটলেও বগুড়ার প্রাথমিক শিক্ষায় সংকট এখানেই শেষ হচ্ছে না। কারণ প্রধান শিক্ষকের ৮০ শতাংশ পদ পূরণ হবে সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতির মাধ্যমে। অর্থাৎ ৮১৬টি শূন্য পদের বড় অংশে সহকারী শিক্ষকরা প্রধান শিক্ষক হলে তাদের পুরোনো পদগুলোও খালি হবে। জাতীয় পর্যায়েও সরকার ৩৬ হাজারের বেশি প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির পাশাপাশি এসব পদোন্নতির ফলে খালি হওয়া ৩৮ হাজারের বেশি সহকারী শিক্ষক পদ দ্রুত পূরণের কথা বলেছে। ফলে বগুড়ার সামনে এখন প্রশ্ন শুধু ৮১৬টি প্রধান শিক্ষক পদ পূরণ নয়। প্রায় এক দশক পর আটকে থাকা পদোন্নতি শুরু হলে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে নতুন করে কত সহকারী শিক্ষকের পদ খালি হবে এবং সেই শূন্যতা কীভাবে পূরণ করা হবে, সেই হিসাবও সামনে আসছে।

'বর্তমানে প্রধান শিক্ষকবিহীন বিদ্যালয়গুলোর ২১৭টিতে চলতি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বাকি বিদ্যালয়গুলোতে ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে শিক্ষকরা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন।' জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে প্রধান শিক্ষকবিহীন ৮১৬টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ২১৭টিতে সহকারী শিক্ষকরা চলতি দায়িত্বে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন। অন্য বিদ্যালয়গুলোতে জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকদের মধ্য থেকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ফলে স্থায়ী নিয়োগের বদলে সহকারী শিক্ষক দিয়েই চলছে কাজ। একই শিক্ষককে একদিকে নিয়মিত ক্লাস নিতে হচ্ছে, অন্যদিকে সামলাতে হচ্ছে বিদ্যালয়ের প্রশাসন। সরকারি চিঠিপত্র, বিভিন্ন তথ্য ও প্রতিবেদন তৈরি, আর্থিক ও প্রশাসনিক কাজ, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা বাস্তবায়ন, শিক্ষক ও বিদ্যালয়ের সার্বিক ব্যবস্থাপনা, সব দায়িত্বই পড়ছে ভারপ্রাপ্ত বা চলতি দায়িত্বে থাকা শিক্ষকদের ওপর। আর বগুড়ার ১৩টি উপজেলায় সবচেয়ে বেশি শূন্য পদ গাবতলী উপজেলায়। এখানে ১৬৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ১০৫টিতেই প্রধান শিক্ষক নেই। এছাড়া ধুনটে ১০৩টি, সারিয়াকান্দিতে ৯৮, শেরপুরে ৭৩, সোনাতলায় ৭১, কাহালুতে ৬৪, নন্দীগ্রামে ৬২, আদমদীঘিতে ৫৯, শাজাহানপুরে ৫০, প্রশাসনিক উপজেলা মোকামতলায় ৩৮টি, শিবগঞ্জে ৩৫, বগুড়া সদরে ৩৪ এবং দুপচাঁচিয়ায় ২৪ বিদ্যালয়ে পদ শূন্য রয়েছে।

প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি বন্ধ হওয়ার মূল জটিলতা তৈরি হয় শিক্ষক জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ নিয়ে। ২০১৩ সালে সরকার দেশজুড়ে ২৬ হাজার ১৯৩টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করে। পরে জাতীয়করণ হওয়া বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের চাকরির শর্ত নির্ধারণে বিধিমালা করা হয়। ওই বিধিমালার ৯ (১) ধারায় জ্যেষ্ঠতার ক্ষেত্রে সরাসরি সরকারি নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। জাতীয়করণ হওয়া বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অবস্থান নির্ধারণ নিয়ে আপত্তি ওঠে। ২০১৭ সালে জাতীয়করণ হওয়া বিদ্যালয়ের ৩৮৩ শিক্ষক ওই বিধানকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন।

'দীর্ঘদিনের এই সংকটের সবচেয়ে কম আলোচিত দিক হলো পদোন্নতির পরের বাস্তবতা। প্রধান শিক্ষক পদে যে সহকারী শিক্ষক পদোন্নতি পাবেন, তিনি তার বর্তমান সহকারী শিক্ষকের পদ ছেড়ে নতুন দায়িত্বে যাবেন। ফলে প্রধান শিক্ষক পদে শূন্যতা কমার সঙ্গে সঙ্গে নিচের স্তরে নতুন শূন্যতা তৈরি হবে। জাতীয় পর্যায়ে সরকার এই চেইন রিঅ্যাকশনের কথাও স্বীকার করেছে।' ২০১৯ সালের ১১ মার্চ হাইকোর্ট সংশ্লিষ্ট বিধানকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে রায় দেন। এর পরই প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি ও জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ নিয়ে বড় ধরনের জটিলতা তৈরি হয়। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করে।

পরবর্তী সময়ে বিষয়টি আপিল বিভাগে যায় এবং সিভিল আপিল হিসেবে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় থাকে। এই আইনি বিরোধের প্রভাব ছিল সরাসরি মাঠপর্যায়ে। দেশের বিপুলসংখ্যক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদ শূন্য থাকলেও পদোন্নতির মাধ্যমে সেগুলো পূরণ করা যাচ্ছিল না। ফলে বহু প্রতিষ্ঠান চলতি বা ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে পরিচালিত হয়েছে। জাতীয় পর্যায়ে সরকারও বলছে, প্রায় ৯ বছরের এই আইনি জটিলতায় প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি বন্ধ ছিল এবং ৩৬ হাজারের বেশি পদ শূন্য হয়ে পড়ে। বগুড়া জেলাতেও সেই দীর্ঘ স্থবিরতার প্রভাব এখন ৮১৬টি শূন্য পদের হিসাবে দৃশ্যমান। গত ২ জুলাই প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগ রাষ্ট্রপক্ষের আপিল মঞ্জুর করেন। এতে হাইকোর্টের ২০১৯ সালের রায় বাতিল হয় এবং ২০১৩ সালের বিধিমালার বিতর্কিত বিধান বহাল থাকে। আপিল বিভাগের এই রায়ের পর প্রধান শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতিতে থাকা আইনি বাধা দূর হয়।

'বর্তমান বিধিমালা অনুযায়ী, প্রধান শিক্ষকের ৮০ শতাংশ পদ সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ হবে। বাকি ২০ শতাংশ পদে হবে সরাসরি নিয়োগ। জাতীয় পর্যায়েও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় একই কাঠামোয় দীর্ঘদিনের শূন্য পদ পূরণের কথা জানিয়েছে।' বগুড়া জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসও বলছে, বর্তমানে এ বিষয়ে কোনো মামলা বিচারাধীন নেই। অর্থাৎ যে মামলার কারণে বছরের পর বছর পদোন্নতি বন্ধ ছিল, সেই জট এখন আর নেই। কিন্তু এখানেই খবরের বড় প্রশ্ন। মামলা নিষ্পত্তি হওয়ার পরও কেন ৮১৬টি পদ খালি।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তারা বলছেন, আদালতের রায়ের পর পদোন্নতির জন্য প্রথমে জ্যেষ্ঠতার তালিকা তৈরি করতে হচ্ছে। দীর্ঘ সময় ধরে পদোন্নতি বন্ধ থাকায় সহকারী শিক্ষকদের বর্তমান তথ্য যাচাই করে নতুন করে গ্রেডেশন নির্ধারণ করা হচ্ছে।

এই তালিকাই ঠিক করবে, কারা কোন ক্রমে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির জন্য বিবেচিত হবেন। অর্থাৎ নয় বছরের আইনি অচলাবস্থার পর এখন শুরু হয়েছে প্রশাসনিক অচলাবস্থা কাটানোর কাজ। বগুড়া জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রেজোয়ান হোসেন বলেন, প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে বর্তমানে কোনো আইনি বাধা নেই। মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী উপজেলা পর্যায়ে গ্রেডেশন তালিকা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, যোগ্যতা ও জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে পদোন্নতির জন্য শিক্ষক নির্বাচন করা হবে। এ ক্ষেত্রে জন্মতারিখ, শিক্ষাগত যোগ্যতা, চাকরিতে যোগদানের তারিখ, চাকরিকাল এবং চাকরিজীবনে সন্তোষজনক কর্মসম্পাদনসহ নির্ধারিত বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। উপজেলা থেকে তালিকা জেলা অফিসে আসবে। যাচাই শেষে তা অধিদপ্তরে পাঠানো হবে। পুরো প্রক্রিয়া শেষ হতে দেড় থেকে দুই মাস সময় লাগতে পারে।

সারিয়াকান্দি উপজেলার নবাদরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জুলফিকার আলী জাগো নিউজকে বলেন, বর্তমান বিধিমালা অনুযায়ী, প্রধান শিক্ষকের ৮০ শতাংশ পদ সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ হবে। বাকি ২০ শতাংশ পদে হবে সরাসরি নিয়োগ। জাতীয় পর্যায়েও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় একই কাঠামোয় দীর্ঘদিনের শূন্য পদ পূরণের কথা জানিয়েছে। এর অর্থ, বগুড়ার ৮১৬টি শূন্য পদের সবগুলো এক প্রক্রিয়ায় পূরণ হবে না। পদোন্নতির জন্য এক ধরনের প্রশাসনিক প্রক্রিয়া চলছে, অন্যদিকে সরাসরি নিয়োগের অংশের জন্য পৃথক ব্যবস্থা প্রয়োজন হবে। এ কারণে শুধু গ্রেডেশন তালিকা তৈরি শেষ হলেই ৮১৬টি বিদ্যালয়ের সব প্রধান শিক্ষক পদ পূরণ হয়ে যাবে, এমন নয়। পদোন্নতির অংশে কতজন যোগ্য শিক্ষক থাকবেন, চূড়ান্ত অনুমোদন কবে হবে এবং সরাসরি নিয়োগের অংশ কীভাবে এগোবে, তার ওপর নির্ভর করবে পুরো সংকট নিরসনের গতি। সারিয়াকান্দি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নবীর হোসেন বলেন, দীর্ঘদিনের এই সংকটের সবচেয়ে কম আলোচিত দিক হলো পদোন্নতির পরের বাস্তবতা। প্রধান শিক্ষক পদে যে সহকারী শিক্ষক পদোন্নতি পাবেন, তিনি তার বর্তমান সহকারী শিক্ষকের পদ ছেড়ে নতুন দায়িত্বে যাবেন। ফলে প্রধান শিক্ষক পদে শূন্যতা কমার সঙ্গে সঙ্গে নিচের স্তরে নতুন শূন্যতা তৈরি হবে। জাতীয় পর্যায়ে সরকার এই চেইন রিঅ্যাকশনের কথাও স্বীকার করেছে।

৩৬ হাজারের বেশি প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির পাশাপাশি পদোন্নতির ফলে খালি হওয়া ৩৮ হাজারের বেশি সহকারী শিক্ষক পদ দ্রুত পূরণের কথাও বলা হয়েছে। বগুড়ার ক্ষেত্রেও তাই পদোন্নতির পর কতটি সহকারী শিক্ষকের পদ খালি হবে, সেটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। দীর্ঘদিন প্রধান শিক্ষক পদ শূন্য থাকার পর পদোন্নতির মাধ্যমে সেই সংকট কাটানোর প্রক্রিয়া শুরু হলেও প্রাথমিক শিক্ষায় শিক্ষকসংকটের হিসাব এখানেই শেষ নয়।

প্রাথমিক শিক্ষা বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ আবুল মালেক বলেন, বর্তমানে প্রধান শিক্ষকবিহীন বিদ্যালয়গুলোর ২১৭টিতে চলতি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বাকি বিদ্যালয়গুলোতে ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে শিক্ষকরা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস বলছে, শিক্ষা কার্যক্রম সচল রাখতে ভারপ্রাপ্ত ও চলতি দায়িত্বে থাকা শিক্ষকরা প্রশাসনিক দায়িত্বের পাশাপাশি নিয়মিত পাঠদানও করছেন। সংকটের প্রভাব কমাতে বিদ্যালয় পরিদর্শন বাড়ানো হয়েছে। মা সমাবেশ ও উঠান বৈঠকের মাধ্যমে অভিভাবকদের সম্পৃক্ত করা হচ্ছে। হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে শিক্ষকদের বিদ্যালয়ে আগমন ও প্রস্থানের বিষয়ও মনিটরিং করা হচ্ছে। তবে এসব ব্যবস্থা স্থায়ী প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বিকল্প নয়।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস আরও জানায়, বগুড়ার ১ হাজার ৬০৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৮১৬টিতে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য থাকার অর্থ, জেলার অর্ধেকের বেশি বিদ্যালয় বছরের পর বছর পূর্ণাঙ্গ নেতৃত্ব কাঠামো ছাড়া চলছে। এখন আদালতের রায়ে আইনি জট কেটেছে। উপজেলা পর্যায়ে শুরু হয়েছে জ্যেষ্ঠতার তালিকা তৈরির কাজ। কর্মকর্তাদের হিসাবে আরও দেড় থেকে দুই মাস লাগতে পারে এই ধাপ শেষ হতে। এখন নতুন করে চ্যালেঞ্জ হলো, সামনে পদোন্নতির পর খালি হওয়া সহকারী শিক্ষকের পদগুলোও যত দ্রুত সম্ভব পূরণ করা।