উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সম্পত্তিতে কর বসাতে চায় এনবিআর
প্রকাশ : ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক
দেশের রাজস্ব আয় বৃদ্ধিতে সারচার্জের পরিবর্তে ‘ওয়েলথ ট্যাক্স’ (সম্পদ কর) ও উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া সম্পত্তির ওপর ‘ইনহেরিটেন্স ট্যাক্স’ (উত্তরাধিকার কর) আরোপের পরিকল্পনা করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। গতকাল মঙ্গলবার সকালে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সম্মেলন কক্ষে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রাক বাজেট আলোচনায় এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান এ পরিকল্পনার কথা জানান।
সকালে এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই প্রাক বাজেট আলোচনায় নোয়াবের প্রস্তাবনা তুলে ধরেন নোয়াব সভাপতি ও মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী। এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন প্রথম আলোর সম্পাদক ও প্রকাশক মতিউর রহমান।
স্বাগত বক্তব্যে এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান বলেন, আমরা আবার ওয়েলথ ট্যাক্স অ্যাক্ট (সম্পদ কর) নিয়ে আসতে পারি কি না, যদি ওয়েলথ ট্যাক্স অ্যাক্টটাকে নিয়ে আসতে পারি, তাহলে ওয়েলদি পিপলদের (সম্পদশালী ব্যক্তিদের) থেকে আমরা ইনকাম ট্যাক্সের বাইরে আরও কিছু ওয়েলথ ট্যাক্স (সম্পদ কর) পাবো সারচার্জের পরিবর্তে। দ্যাট উইল বি হেল্পফুল।
উত্তরধিকার কর আদায়ের পরিকল্পনা জানিয়ে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, আরেকটা আইডিয়া এসেছে আমাদের। আমাদের অনেক লাকি চিলড্রেনরা তাদের পূর্বপুরুষদের থেকে অনেক প্রপার্টি ইনহেরিট (উত্তরাধিকার) করে। বিভিন্ন দেশে ইনহেরিটেন্স ট্যাক্স আছে। আমরাও কি ইনহেরিটেন্স ট্যাক্সটা (উত্তরাধিকার কর) বাংলাদেশে নিয়ে আসতে পারি কি না। আমরা হয়তো শুরু করব ধরুণ যে অত্যন্ত দামি প্রপার্টি অথবা আমাদের সিটি কর্পোরেশন এলাকাতে যেসব প্রপার্টি আছে, এগুলো যখন ট্রান্সফার হবে নেক্সট জেনারেশনের কাছে মিউটেশন হবে, তার আগে ওদের এই ইনহেরিটেন্স ট্যাক্সটা বসাতে হবে।
রাজস্ব আদায় বাড়াতে দুর্নীতির পথ বন্ধ করার ওপর জোর দিয়ে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, আমাদের ওভারঅল যে রেভিনিউ এটা আমরা বাড়াতে পারি। আর লিকেজ বন্ধ করতে হবে। আমাদের এই কাজটা আমরা শুরু করেছি।
আমরা যদি সুশাসন এস্টাবলিশ করতে পারি প্রত্যেকটা জায়গায়, আমরা যদি আমাদের যারা সৎ, দক্ষ এবং পরিশ্রমী কর্মকর্তা আছে তাদের যদি নার্সিং করতে পারি, এনকারেজ করতে পারি, তাহলে অটোমেটিক্যালি আমাদের রেভিনিউ লিকেজটা কমবে এবং আমরা রেভিনিউ কালেকশন বাড়াতে পারব।
