
দীর্ঘদিন পর দেশের শেয়ারবাজারে দাম বাড়ার ক্ষেত্রে দাপট দেখিয়েছে বিমা খাতের কোম্পানিগুলো। সিংহভাগ বিমা কোম্পানির শেয়ার দাম বাড়ায় সার্বিক বাজারেও ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। মূল্য সূচক বাড়ার পাশাপাশি বেড়েছে লেনদেনের গতি। গতকাল রোববার প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রায় সবকটি বিমা কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে। এতে সার্বিকভাবে দাম বাড়ার তালিকা বড় হওয়ার পাশাপাশি প্রধান মূল্য সূচক বেড়েছে। সেই সঙ্গে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) দাম বাড়ার তালিকা বড় হওয়ার পাশাপাশি মূল্য সূচক বেড়েছে।
বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিমা কোম্পানিগুলোর হিসাব বছর শেষ হয় ডিসেম্বরে। সামনে কোম্পানিগুলোর ২০২৫ সালের সমাপ্ত বছরের লভ্যাংশ সংক্রান্ত ঘোষণা আসবে। এ কারণেই হয়তো বিমা খাতের শেয়ারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বেড়েছে। এতে দামেও ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তারা বলছেন, হঠাৎ কোনো কোম্পানির শেয়ার দাম বাড়লেই বিনিয়োগকারীদের সেই শেয়ারে ঝুঁকে পড়া উচিত না। বিনিয়োগের আগে অবশ্যই সার্বিক তথ্য ভালো করে পর্যালোচনা করা উচিত। সঠিকভাবে তথ্য পর্যালোচনা করে বিনিয়োগ করতে পারলে শেয়ারবাজার থেকে ভালো মুনাফা পাওয়া সম্ভব। অন্যদিকে ভুল সিদ্ধান্ত নিলে লোকসানের মধ্যে পড়ে বিনিয়োগ করা পুঁজি হারাতে হবে।
বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গতকাল রোববার ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয় অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমার মাধ্যমে।
এতে লেনদেনের শুরুতেই সূচক ঋণাত্মক হয়ে পড়ে। তবে লেনদেনের সময় আধাঘণ্টা গড়ানোর আগেই দাম বাড়তে থাকে বিমা কোম্পানির শেয়ারের।
লেনদেনের সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বিমা কোম্পানির শেয়ার দাম বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত থাকে। লেনদেনের শেষ পর্যন্ত এই ধরা অব্যাহত থাকে। ফলে প্রায় সবকটি বিমা কোম্পানির শেয়ার দাম বাড়ার পাশাপাশি দাম বাড়ার তালিকা বড় হয়েই দিনের লেনদেন শেষ হয়।
দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে সব খাত মিলে দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে ১৮৮টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট। বিপরীতে দাম কমেছে ১৪৫টির। আর ৬৬টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।