দেশে তেল-গ্যাসের তিন কূপ খনন করবে চীনা প্রতিষ্ঠান
প্রকাশ : ০১ মে ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক
দেশে গ্যাস ও তেলের উৎপাদন বাড়াতে গভীর শিলাস্তরে অনুসন্ধান জোরদারের অংশ হিসেবে তিন অনুসন্ধান কূপ খননের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে দুটি গ্যাস কূপ এবং একটি তেল কূপ রয়েছে।
এসব কূপ খনন করতে ব্যয় হবে ৯৪৫ কোটি ৭১ লাখ ৯৫ হাজার ৬৩৫ টাকা। তিনটি কূপই খনন করবে চীনের প্রতিষ্ঠান। গতকাল বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এই কূপ খননের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। জাতীয় সংসদ ভবনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে শেষে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে দুটি কূপের (শ্রীকাইল ডিপ-১ ও মোবারকপুর ডিপ-১) খনন কার্যক্রম টার্ন-কি ভিত্তিতে বাস্তবায়নের জন্য ঠিকাদার নিয়োগের প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, ‘৩টি অনুসন্ধান কূপ খনন’ প্রকল্পের আওতায় দুটি কূপ (শ্রীকাইল ডিপ-১ ও মোবারকপুর ডিপ-১) খনন কার্যক্রম টার্ন-কি ভিত্তিতে বাস্তবায়নের জন্য ঠিকাদার নিয়োগের লক্ষ্যে এক ধাপ দুই খাম পদ্ধতিতে দরপত্র আহ্বান করা হলে ৩টি দরপত্র দাখিল হয়। এরমধ্যে মাত্র ১টি দরপত্র কারিগরি ও আর্থিকভাবে উপযোগী হয়। দরপত্রের সব প্রক্রিয়া শেষে পিইসির সুপারিশে একমাত্র রেসপনসিভ দরদাতা চীনের প্রতিষ্ঠান সিএনপিসি চুংকুইং ড্রিলিং ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেডকে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৫ কোটি ৯৪ লাখ ৭০ হাজার ৫৭৯ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ৭১৩ কোটি ৬৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা।
প্রস্তবটি সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে উপস্থান করা হলে, কমিটি তা অনুমোদন দিয়েছে।
বৈঠকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের আর এক প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে ‘সিলেট-১২নং কূপ খনন’ প্রকল্পের আওতায় আনুষঙ্গিক কাজসহ কূপ খনন কার্যক্রম টার্ন-কি ভিত্তিতে বাস্তবায়নের জন্য ঠিকাদার নিয়োগের প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে কমিটি।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, ‘সিলেট-১২নং কুপ খনন’ প্রকল্পের আাওতায় অনুষঙ্গিক কাজসহ কূপ খনন কার্যক্রম টার্ন-কি ভিত্তিতে বাস্তবায়নের জন্য ঠিকাদার নিয়োগের লক্ষ্যে এক ধাপ দুই খাম পদ্ধতিতে দরপত্র আহ্বান করা হলে ২টি দরপত্র দাখিল হয়। ২টি দরপত্রই কারিগরি ও আর্থিকভাবে রেসপনসিভ হয়। দরপত্রের সব প্রক্রিয়া শেষে টিইসির সুপারিশে রেসপনসিভ সর্বনিম্ন দরদাতা চীনের প্রতিষ্ঠান সাইনোপ্যাক ইন্টান্যাশনাল পেট্রোলিয়াম সার্ভিস করপোরেশনকে নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৬২ লাখ ২২ হাজার ৪৫০ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ২৩২ কোটি ৭ লাখ ২৫ হাজার ৬৩৫ টাকা।
