মূল্যসূচকের বড় পতন নেতৃত্বে বিমা

প্রকাশ : ২৪ আগস্ট ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  নিজস্ব প্রতিবেদক

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার দেশের শেয়ারবাজারে রীতিমত ধস নেমেছে। এ ধস নামার ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিয়েছে বিমা খাতে। বিমা খাতের পাশাপাশি ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ওষুধ, বস্ত্র, আইটি, মিউচুয়াল ফান্ডসহ সব খাতের বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে।

অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমায় প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্যসূচকের বড় পতন হয়েছে। তবে লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা বেড়েছে। অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) দাম কমার তালিকায় নাম লিখিয়েছে বেশি সংখ্যক প্রতিষ্ঠান। ফলে কমেছে মূল্যসূচক। একই সঙ্গে কমেছে লেনদেনের পরিমাণ।

দিনের লেনদেন শেষে ধস নামলেও এদিন ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয় বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ার মাধ্যমে। ফলে লেনদেনের শুরেুতে সূচকের ঊর্ধ্বমুখি প্রবণতার দেখা মেলে। কিন্তু দুপুর ১২টার পর থেকে বাজারে ধস নামা শুরু হয়।

শুরুতে একের পর এক বিমা কোম্পানির শেয়ার দাম কমতে থাকে। এরপর অন্যান্য খাতেও তার প্রভাব পড়ে। লেনদেনের সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে দরপতনের মাত্রা। ফলে ভালো-মন্দ সব খাতের বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের দরপতনের পাশাপাশি মূল্যসূচকের ধস দিয়েই শেয়ারবাজারের লেনদেন শেষ হয়।

দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে সব খাত মিলে দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে মাত্র ৩২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট। বিপরীতে দাম কমেছে ৩২৪টির এবং ৩০টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। অন্যদিকে, বিমা খাতের দুটি কোম্পানির শেয়ার দাম বাড়ার বিপরীতে ৫৫টির দাম কমেছে। বাকি একটি বিমা কোম্পানির শেয়ার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

ভালো কোম্পানি বা ১০ শতাংশ অথবা তার বেশি লভ্যাংশ দেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ১২টির শেয়ার দাম বেড়েছে। বিপরীতে ১৭০টির দাম কমেছে এবং ১৩টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। মাঝারি মানের বা ১০ শতাংশের কম লভ্যাংশ দেওয়া ৭টি কোম্পানির শেয়ার দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ৬৫টির এবং দুটির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।