সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক ঘুরে দাঁড়াতে পারবে কী
প্রকাশ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
আলোকিত ডেস্ক

বাংলায় একটি বহুল প্রচলিত প্রবাদ- 'উঠন্তি মুলা পত্তনেই চেনা যায়'। অর্থাৎ কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা অনেকটা বোঝা যায় তার শুরুর আচরণ, সিদ্ধান্ত ও কর্মকাণ্ড দেখে। দুর্বল পাঁচটি শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক একীভূত করে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ক্ষেত্রেও এই প্রবাদটি প্রাসঙ্গিক। কারণ নতুন ব্যাংকটির যাত্রা শুরু হয়েছে একদিকে বিপুল আর্থিক ক্ষতি, খেলাপি ঋণ, তারল্য সংকট ও দীর্ঘদিনের আস্থাহীনতার বোঝা; অন্যদিকে রাষ্ট্রীয় মালিকানা, নতুন ব্যবস্থাপনা ও পুনর্গঠনের সুযোগ নিয়ে। এখন প্রশ্ন হলো, এই ব্যাংক কি অতীতের বোঝা কাটিয়ে একটি সুস্থ, টেকসই ও আস্থাশীল প্রতিষ্ঠানে পরিণত হতে পারবে? প্রথম পরীক্ষাটি ছিল আমানতকারীদের আস্থা ফেরানো। এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য এ ক্ষেত্রে আশাব্যঞ্জক। এই ব্যাংক থেকে ১ থেকে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১ লাখ ২৪ হাজার ৮৭৭ জন আমানতকারী ৫ হাজার ৫১১ কোটি টাকা ফেরতের আবেদন করলেও বাস্তবে ৩৫ হাজার ৯০৭ জন গ্রাহক ১ হাজার ৪৩১ কোটি টাকা উত্তোলন করেছেন। অর্থাৎ আবেদন করা অর্থের প্রায় তিন-চতুর্থাংশই উত্তোলন করা হয়নি। একই সময়ে ৭ থেকে ১০ সেপ্টেম্বর মাত্র চার দিনে ব্যাংকে নতুন করে ৮৯৪ কোটি টাকা নতুন আমানত এসেছে। এটি নিঃসন্দেহে ইতিবাচক সংকেত। কারণ টাকা তোলার পূর্ণ সুযোগ থাকার পরও বিপুলসংখ্যক গ্রাহক অর্থ ব্যাংকে রেখে দিয়েছেন। কেউ কেউ নতুন করে আমানতও করেছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকেও বলা হয়েছে, আমানতকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারই ছিল নতুন ব্যাংকটির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। প্রত্যাশার তুলনায় উত্তোলনের চাপ কম থাকায় তারল্য ব্যবস্থাপনাতেও কিছুটা স্বস্তি এসেছে। সূত্র : সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
