ঢাকা রোববার, ১৭ মে ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

?

?

প্রশ্ন : এটাচ বাথরুমে অজুর দোয়া পড়া যাবে?

উত্তর : এটাচ বাথরুমে মলত্যাগের স্থান ও গোসলের স্থানের মধ্যে যদি কোনো দেওয়াল বা ফ্লোর উঁচু নিচু করে দেওয়ার দ্বারা পার্থক্য করা হয়, তাহলে অজু-গোসলের স্থানে দোয়া ইত্যাদি পড়া যাবে। (আল বাহরুর রায়েক : ১/২১৩)।

প্রশ্ন : সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর পুরুষের অনুপস্থিতিতে মহিলারা আজান দিলে কী আজানের সুন্নত আদায় হবে?

উত্তর : পুরুষের অনুপস্থিতিতে মহিলারা এ আজান দিলেও আজানের সুন্নত আদায় হয়ে যাবে। (বাদায়েউস সানায়ে : ১/১৫০)।

প্রশ্ন : হাফ হাতা শার্ট পরে নামাজ পড়া যাবে?

উত্তর : হাফ হাতা শার্ট পরে নামাজ পড়া মাকরুহ। (রদ্দুল মুহতার : ১/৬৪০)।

প্রশ্ন : মাসবুক ব্যক্তি ভুলে ইমাম সাহেবের সঙ্গে সালাম ফিরিয়ে ফেললে করণীয় কী?

উত্তর : মাসবুক ব্যক্তি ভুলে ইমাম সাহেবের সঙ্গে সালাম ফিরিয়ে ফেললে (নামাজ ভঙ্গের কোনো কাজ করার আগে) যখনই মনে পড়বে, তখনই দাঁড়িয়ে অবশিষ্ট নামাজ আদায় করে নেবে এবং সেজদায়ে সাহু করে নেবে। (ফতোয়ায়ে দারুল উলুম দেওবন্দ : ৩/৩৭৯)।

প্রশ্ন : মুসাফির ইমাম ভুলে চার রাকাত পূর্ণ করে ফেললে নামাজের হুকুম কী?

উত্তর : মুসাফির ইমাম দ্বিতীয় রাকাতে ভুলে চার রাকাত পূর্ণ করে ফেললে তার পেছনের মুকিম মুক্তাদিদের নামাজ শুদ্ধ হবে না। (অবশ্য এ ক্ষেত্রে ইমাম সাহেব দ্বিতীয় রাকাতে বৈঠক করে থাকলে এবং নামাজ শেষে সেজদায়ে সাহু করে থাকলে ইমাম ও মুসাফির মুক্তাদিদের নামাজ শুদ্ধ হয়ে যাবে)। (নাহরুল ফায়েক : ১/২৫৫)।

প্রশ্ন : চুলে কালো কলপ ব্যবহার করা যাবে?

উত্তর : চুলে কালো কলপ ব্যবহার করা মাকরুহে তাহরিমি। অবশ্য মহিলাদের জন্য স্বামীকে খুশি করার নিয়তে কোনো কোনো ইসলামি স্কলার চুলে কালো কলপ ব্যবহারের বৈধতার কথা বলেছেন। তবে বয়স গোপন করার জন্য নারী-পুরুষ কারও জন্যই চুলে কালো কলপ ব্যবহার করা বৈধ নয়। (ফতোয়ায়ে হিন্দিয়া : ৫/৪১৪)।

প্রশ্ন : খেলা বা অনুষ্ঠান দেখে হাততালি দেওয়ার বিধান কী?

উত্তর : খেলা দেখে হাতে তালি দেওয়া মাকরুহে তাহরিমি। তাই তা থেকে বিরত থাকা কর্তব্য। (ফতোয়ায়ে দারুল উলুম দেওবন্দ : ১৬/২৯০)।

প্রশ্ন : কেউ চুরি করল বা কোনো ড্রাইভার গাড়ি উল্টোপাল্টা চালিয়ে এক্সিডেন্ট করল; এ অবস্থায় ওই চোর বা ড্রাইভারকে গণপিটুনি বা গণধোলাই দেওয়া বৈধ হবে?

উত্তর : যে কোনো অন্যায় কাজ প্রতিহত করা প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানি দায়িত্ব। সে মতে, কোথাও কোনো অন্যায় হতে দেখলে তা প্রতিহত করা এবং অপরাধীকে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে সোপর্দ করা আবশ্যক। তবে বর্তমানে জনসাধারণ কর্তৃক চোর বা অন্য কোনো অপরাধীকে গণধোলাই দেওয়ার যে প্রচলন রয়েছে, তা জায়েজ নেই। এ থেকে বিরত থাকা উচিত। (রদ্দুল মুহতার : ৪/৬৫)।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত