ঢাকা বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

মসজিদে নববিতে জুমার খুতবা

ইবরাহিম (আ.)-এর আত্মসমর্পণের অনুপম দৃষ্টান্ত

শায়খ ড. আহমদ বিন আলি আল হুজাইফি
ইবরাহিম (আ.)-এর আত্মসমর্পণের অনুপম দৃষ্টান্ত

আমি নিজেকে ও আপনাদের তাকওয়া অবলম্বনের উপদেশ দিচ্ছি; যা মোমিনের সর্বোত্তম পাথেয় এবং বাহ্যিক জীবনের জন্য সবচেয়ে সুন্দর অলংকার। এটি উত্তম গুণাবলি অর্জনের সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ উপায় ও সবচেয়ে মহান মাধ্যম। আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘হজ হয় সুনির্দিষ্ট মাসসমূহে। এরপর যে কেউ এ মাসগুলোতে হজ করা স্থির করে তার জন্য হজের সময়ে স্ত্রী-সম্ভোগ, অন্যায় আচরণ ও কলহ-বিবাদ বিধেয় নয়। তোমরা উত্তম কাজের যা কিছু কর আল্লাহ তা জানেন। তোমরা পাথেয়ের ব্যবস্থা কর, আত্মসংযমই শ্রেষ্ঠ পাথেয়। হে বোধসম্পন্ন ব্যক্তিগণ! তোমরা আমাকে ভয় কর।’ (সুরা বাকারা : ১৯৭)।

মহান আল্লাহ তাঁর মহাগ্রন্থে নবী ও রাসূলদের যে সত্য ঘটনা বর্ণনা করেছেন, তাতে রয়েছে শিক্ষা ও উপদেশের উর্বর ক্ষেত্র ও নির্মল উৎস, যা শিক্ষা ও উপলব্ধির দৃষ্টান্তে পরিপূর্ণ। আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘এদের বৃত্তান্তে বোধশক্তিসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্যে আছে শিক্ষা। এটা এমন বাণী যা মিথ্যা রচনা নয়। কিন্তু মোমিনদের জন্যে এটা পূর্বগ্রন্থে যা আছে তার প্রত্যয়ন এবং সমস্ত কিছুর বিশদ বিবরণ, হেদায়াত ও রহমত।’ (সুরা ইউসুফ : ১১১)।

এই কোরআনি কাহিনিগুলোর মধ্যে একটি হলো আল্লাহর বন্ধু হযরত ইবরাহিম (আ.)-এর ঘটনা, তাঁর স্ত্রী হাজেরা ও তাঁদের পুত্র ইসমাঈল (আ.) কে নিয়ে। মহান আল্লাহ বলেন, ‘স্মরণ কর, যখন ইবরাহিম বলেছিল, ‘হে আমার প্রতিপালক! একে নিরাপদ শহর কর, আর এর অধিবাসীদের মধ্যে যারা আল্লাহ ও আখেরাতে ঈমান আনে তাদের ফলমূল হতে জীবিকা প্রদান কর।’ (সুরা বাকারা : ১২৬)। যখন তিনি আল্লাহর আদেশে তাঁদের সেই নির্জন, জনমানবহীন উপত্যকায় রেখে আসেন তখন বলেন, ‘হে আমার প্রতিপালক! এই নগরীকে নিরাপদ কর এবং আমাকে ও আমার পুত্রগণকে প্রতিমা পূজা হতে দূরে রেখো।’ (সুরা ইবরাহিম : ৩৫)।

এই আশ্চর্য ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনায়, হযরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, হযরত ইবরাহিম আ. যখন আল্লাহর নির্দেশে তাঁর স্ত্রী হাজেরা ও দুগ্ধপোষ্য সন্তান ইসমাঈলকে নিয়ে মক্কায় আসেন, তখন তিনি তাঁদের কাবা ঘরের স্থানের কাছে একটি গাছের নিচে রেখে দেন। সে সময় মক্কায় না ছিল পানি, না ছিল কোনো মানুষ। তিনি তাঁদের জন্য একটি থলিতে কিছু খেজুর ও একটি পানির মশক রেখে ফিরে যেতে উদ্যত হন। তখন ইসমাঈলের মা তাঁর পিছু নিয়ে বললেন, ‘হে ইবরাহিম! আপনি কোথায় যাচ্ছেন? আমাদের এই জনমানবহীন উপত্যকায় রেখে যাচ্ছেন?’ তিনি বারবার এ কথা বললেন, কিন্তু ইবরাহিম (আ.) ফিরে তাকালেন না। তখন তিনি জিজ্ঞেস করলেন, ‘আল্লাহ কি আপনাকে এ কাজের আদেশ দিয়েছেন?’ তিনি বললেন, ‘হ্যাঁ।’ তখন তিনি বললেন, ‘তাহলে তিনি আমাদের নষ্ট করবেন না।’ এরপর তিনি ফিরে গেলেন।

হযরত ইবরাহিম (আ.) ফিরে চললেন। যখন তিনি এমন স্থানে পৌঁছালেন যেখানে তাঁরা তাকে দেখতে পায় না, তখন কাবার দিকে মুখ করে দোয়া করলেন, যা আল্লাহতায়ালা কোরআনে উল্লেখ করেছেন, ‘হে আমাদের প্রতিপালক! আমি আমার বংশধরদের কতককে বসবাস করালাম অনুর্বর উপত্যকায় তোমার পবিত্র গৃহের কাছে, হে আমাদের প্রতিপালক! এই জন্য যে, এরা যেন সালাত কায়েম করে। অতএব তুমি কিছু লোকের অন্তর এদের প্রতি অনুরাগী করে দাও এবং ফলাদি দিয়ে এদের রিজিকের ব্যবস্থা কর, যাতে এরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।’ (সুরা ইবরাহিম : ৩৭)।

এরপর একটি সময় পর ইবরাহিম (আ.) তাঁদের কাছে ফিরে আসেন, তখন তাঁর পুত্র ইসমাঈল বড় হয়ে উঠেছে। তিনি এসে দেখলেন, ইসমাঈল একটি গাছের নিচে বসে তীর প্রস্তুত করছে, যা জমজম কূপের নিকটে ছিল। তিনি তাঁকে দেখে এগিয়ে গেলেন, আর পিতা-পুত্র পরস্পরের সঙ্গে স্বাভাবিক স্নেহপূর্ণ আচরণ করলেন। তারপর ইবরাহিম (আ.) বললেন, ‘হে ইসমাঈল! আল্লাহ আমাকে একটি কাজের আদেশ দিয়েছেন।’ ইসমাঈল বললেন, ‘আপনার প্রতিপালক যা আদেশ দিয়েছেন, তা-ই করুন।’ তিনি বললেন, ‘তুমি কি আমাকে সাহায্য করবে?’

তিনি বললেন, ‘আমি আপনাকে সাহায্য করব।’ তিনি বললেন, ‘আল্লাহ আমাকে এখানে একটি ঘর নির্মাণের আদেশ দিয়েছেন।’ এ বলে তিনি একটি উঁচু স্থানের দিকে ইঙ্গিত করলেন। তখন তারা কাবা ঘরের ভিত্তি উঁচু করতে লাগলেন। ইসমাঈল পাথর এনে দিতেন, আর ইবরাহিম (আ.) নির্মাণ করতেন। আর তারা দু’জন বলছিলেন, যেমনটি আল্লাহ কোরআনে বর্ণনা করেছেন, ‘হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের এ কাজ গ্রহণ কর, নিশ্চয় তুমি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞাতা।’ (সুরা বাকারা : ১২৭) তাঁদের উভয়ের ওপর এবং আমাদের নবীর ওপর শান্তি ও করুণাধারা বর্ষিত হোক।

এটি এমন এক কাহিনী, যা আল্লাহর প্রতি ঈমান, তাঁর প্রতি সত্যিকারের দাসত্ব ও তাঁর আদেশের প্রতি পূর্ণ আত্মসমর্পণের অর্থে পরিপূর্ণ। এই কাহিনির প্রথম ঘটনাতেই তুমি থেমে ভাবতে বাধ্য হও, আল্লাহর প্রিয় বন্ধু ইবরাহিম (আ.)-এর সেই আশ্চর্য আনুগত্য দেখে; দৃঢ় ঈমান ও অটল বিশ্বাসসহ, যা অন্তরের কোনো দ্বিধা বা চিন্তা তাকে বিচলিত করতে পারেনি। একইভাবে তোমাকে বিস্মিত করে হাজেরা-এর আল্লাহর সিদ্ধান্তের প্রতি আত্মসমর্পণ, এমন একটি হৃদয় নিয়ে যা প্রশান্তিতে পূর্ণ ও আল্লাহর ওপর গভীর ভরসায় ভরা। এটি ছিল আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রস্তুতি, সেই জনশূন্য উপত্যকায় তাঁর সম্মানিত ঘর নির্মাণের জন্য, তাঁর বন্ধু ইবরাহিম ও তাঁর পুত্র ইসমাঈল (আ.)-এর হাতে। এরপর আল্লাহ তাঁর ঘরকে মানুষের জন্য ফিরে আসার কেন্দ্র ও নিরাপত্তার স্থান বানালেন; তাওহিদের অন্যতম মহান নিদর্শন এবং একনিষ্ঠ ইবাদতের স্পষ্ট প্রতীক করলেন। মানুষের অন্তরকে তাদের দিকে আকৃষ্ট করলেন এবং তাদের ফলমূল দ্বারা রিজিক দিলেন, যাতে তারা কৃতজ্ঞ হয়; এটি ছিল তাঁর বন্ধু হযরত ইবরাহিম (আ.)-এর প্রার্থনায় সাড়াদান।

সময়ের পর সময়, যুগের পর যুগ অতিক্রান্ত হয়, আর আল্লাহর বন্ধু ইবরাহিম (আ.)-এর আহ্বান সর্বত্র ধ্বনিত হতে থাকে যে, ‘মানুষের কাছে হজের ঘোষণা করে দাও, এরা তোমার কাছে আসবে পদব্রজে ও সর্বপ্রকার ক্ষীণকায় উষ্ট্রের পিঠে, এরা আসবে দূর-দূরান্তর পথ অতিক্রম করে।’ (সুরা হজ : ২৭)। অতঃপর আজকের দিনে হাজীদের দল ও আগত লোকেরা পৃথিবীর প্রত্যন্ত স্থান থেকে সেখানে উপস্থিত হয় তাদের কল্যাণ দেখার জন্য, তাদের হজের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার জন্য ও প্রাচীন ঘর কাবা তাওয়াফ করার জন্য। তারা এই পবিত্র স্থানে আসে, তাদের ওপর নেমে আসে প্রশান্তি ও ঈমানের ছায়া, আর তাদের ঘিরে রাখে শান্তি, স্বস্তি ও নিরাপত্তার বাতাস। মহান আল্লাহ বলেন, ‘সেই সময়কে স্মরণ কর, যখন আমি কাবাগৃহকে মানব জাতির মিলনকেন্দ্র ও নিরাপত্তাস্থল করেছিলাম ও বলেছিলাম, ‘তোমরা মাকামে ইবরাহিমকে সালাতের স্থানরূপে গ্রহণ কর।’ আর ইবরাহিম ও ইসমাঈলকে তাওয়াফকারী, ইতিকাফকারী, রুকু ও সিজ্দাকারীদের জন্যে আমার গৃহকে পবিত্র রাখতে আদেশ দিয়েছিলাম।’ (সুরা বাকারা : ১২৫)।

এই কাহিনির শিক্ষা ও উপদেশগুলোর মধ্যে রয়েছে আল্লাহ তাঁর বন্ধু ইবরাহিম (আ.)-এর যে মহান দোয়াগুলোর কথা উল্লেখ করেছেন, যা তিনি এই দুই ঘটনার শেষে করেছেন। এতে আমরা দেখি সেই ঈমানি মনোভাব, যা আল্লাহর সামনে বিনয়, তাঁর প্রতি সম্পূর্ণ নির্ভরতা ও সত্যিকারের দাসত্বে পরিপূর্ণ। এটি স্পষ্ট হয় তাঁর এই দোয়ায় যে, তিনি আল্লাহর কাছে শিরক থেকে নিরাপত্তা চান ও তাওহিদের স্বচ্ছতা রক্ষা করার আবেদন করেন; এমন একজনের আবেদন, যে নিজের দ্বীন নিয়ে অত্যন্ত সচেতন ও নিজের শক্তি-সামর্থ্যরে ওপর নির্ভরতা ত্যাগ করেছে। তিনি বলেন, ‘হে আমার প্রতিপালক! এই নগরীকে নিরাপদ কর এবং আমাকে ও আমার পুত্রগণকে প্রতিমা পূজা হতে দূরে রেখ। হে আমার প্রতিপালক! এই সব প্রতিমা তো বহু মানুষকে বিভ্রান্ত করেছে। সুতরাং যে আমার অনুসরণ করবে সেই আমার দলভুক্ত, কিন্তু কেউ আমার অবাধ্য হলে তুমি তো ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’ (সূরা ইবরাহিম : ৩৫-৩৬)।

এটি স্পষ্ট হয় তাঁর এই দোয়ায় যে, যখন তিনি কাবার ভিত্তি উঁচু করছিলেন, তখন তিনি তাঁর আমল কবুল হওয়ার জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন; এমন একজনের প্রার্থনা, যে নিজের আমলকে বড় মনে করে না, বরং এতে শুধু তার স্রষ্টার অনুগ্রহই দেখে। তিনি বিনয়ের সঙ্গে আত্মসমর্পণ ও তওবা কবুলের আবেদন করে বলেন, ‘হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের এ কাজ গ্রহণ কর, নিশ্চয় তুমি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞাতা। হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের উভয়কে তোমার একান্ত অনুগত কর এবং আমাদের বংশধর হতে তোমার এক অনুগত উম্মত কর। আমাদের ইবাদতের নিয়মণ্ডপদ্ধতি দেখিয়ে দাও এবং আমাদের প্রতি ক্ষমাশীল হও। তুমি অত্যন্ত ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’ (সুরা বাকারা : ১২৭-১২৮)। অনুরূপভাবে এতে প্রকাশ পায় তাঁর বংশধরদের প্রতি মমতা, তাদের ও সকল মোমিনদের প্রতি ভালোবাসা, তাদের ও পরবর্তীদের জন্য তাঁর আন্তরিক উপদেশ আল্লাহর দাসত্ব প্রতিষ্ঠা ও তাঁর ইচ্ছাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার লক্ষ্যে। তিনি বলেন, ‘হে আমাদের প্রতিপালক! আমি আমার বংশধরদের কতককে বসবাস করালাম অনুর্বর উপত্যকায় তোমার পবিত্র গৃহের নিকট, হে আমাদের প্রতিপালক! এইজন্যে যে, এরা যেন সালাত কায়েম করে। অতএব, তুমি কিছু লোকের অন্তর এদের প্রতি অনুরাগী করে দাও এবং ফলাদি দিয়ে এদের রিজিকের ব্যবস্থা কর, যাতে এরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।’ (সুরা ইবরাহিম : ৩৭)। তিনি আরও বলেন, ‘হে আমার প্রতিপালক! আমাকে সালাত কায়েমকারী কর এবং আমার বংশধরদের মধ্য হতেও। হে আমাদের প্রতিপালক! আমার প্রার্থনা কবুল কর। হে আমাদের প্রতিপালক! যেই দিন হিসেব অনুষ্ঠিত হবে সেই দিন আমাকে, আমার পিতা-মাতাকে এবং মোমিনগণকে ক্ষমা কর।’ (সূরা ইবরাহিম, আয়াত: ৪১-৪২) তিনি আরো বলেন, ‘হে আমাদের প্রতিপালক! তাদের মধ্য হতে তাদের নিকট একজন রাসূল প্রেরণ কর যে তোমার আয়াতসমূহ তাদের নিকট তিলাওয়াত করবে; তাদের কিতাব ও হিকমত শিক্ষা দেবে ও তাদেরকে পবিত্র করবে। তুমি তো পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।’ (সুরা বাকারা: ১২৯)।

এসব দুআ থেকে আল্লাহর প্রতি সত্যনিষ্ঠা, তাঁর সামনে বিনয় ও তাঁর দিকে একান্ত প্রত্যাবর্তনের আলো প্রকাশ পায়। এতে একটি পবিত্র হৃদয়ের সুবাস পাওয়া যায়, যা মানুষের জন্য কল্যাণ কামনা ও তাদের প্রতি আন্তরিক উপদেশে ভরপুর। অতএব, হে মোমিন নর ও নারীরা! এই বরকতময় দিনগুলোতে তোমরা এসব মহান অর্থ ও শিক্ষা মনে ধারণ করো, যে সময়ের মর্যাদা বৃদ্ধি পেয়েছে, যার ফল ফলেছে, যার গুরুত্ব মহান হয়েছে এবং যা পূর্ণতা লাভ করেছে। এই সম্মানিত মাসে দুটি বিশেষ মর্যাদা একত্র হয়েছে। এটি হজের মাসগুলোর দ্বিতীয় মাস ও ধারাবাহিক পবিত্র মাসগুলোর প্রথমটি। আর যদি এর সঙ্গে স্থানের মর্যাদাও যুক্ত হয়, তবে কেমন হয়! যেমন আল্লাহ তোমাদের এই পবিত্র স্থানে বেছে নিয়েছেন। এভাবে তোমাদের জন্য স্থান ও সময়ের মর্যাদা একত্র করেছেন। তোমরা প্রশান্তি ও ঈমানের ছায়ায় অবস্থান করছ এবং শান্তি, স্বস্তি ও নিরাপত্তার বাগানে বিচরণ করছো। এগুলো আল্লাহর মহান অনুগ্রহ ও বড় নেয়ামতসমূহের অন্তর্ভুক্ত, যা তাঁর প্রশংসা, কৃতজ্ঞতা ও এই বরকতময় দেশের শাসকদের জন্য দুআ করার দাবি রাখে, যেন তারা তাওফিক, সঠিক দিকনির্দেশনা এবং দুনিয়া ও আখিরাতে পূর্ণ প্রতিদান লাভ করে।

(১৪-১১-১৪৪৭ হিজরি মোতাবেক ০১-০৫-২০২৬ খ্রিস্টাব্দে মসজিদে নববিতে প্রদত্ত জুমার খুতবার সংক্ষেপিত অনুবাদ করেছেন জামিয়া ইসলামিয়া ইসলামবাগের মুহাদ্দিস - আবদুল কাইয়ুম শেখ)

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত