বাংলাদেশের সমর্থনে আইসিসিতে চিঠি পিসিবির
প্রকাশ : ২২ জানুয়ারি ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে না চাওয়া নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থানকে সমর্থন জানিয়ে আইসিসিতে চিঠি দিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। ক্রিকেট ওয়েবসাইট ইএসপিএনক্রিকইনফোর খবর, গত মঙ্গলবার এই চিঠি দিয়েছে পাকিস্তানের বোর্ড এবং সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, আঞ্চলিক রাজনৈতিক বর্তমান অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে ভারতে খেলতে না চাওয়ার বিষয়ে বিসিবির অবস্থানকে তারা সমর্থন করে। বাংলাদেশের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় আয়োজন করার দাবি নিয়ে গতকাল বুধবার একটি বোর্ড সভা ডেকেছে আইসিসি। এই সভাতেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হতে পারে। পিসিবির চিঠির প্রেক্ষিতেই আইসিসি এই সভা আহ্বান করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হতে পারেনি ইএসপিএনক্রিকইনফো। এই ক্রিকেট ওয়েবসাইটই কদিন আগে খবর প্রকাশিত করেছিল, গতকাল বুধবার পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে বিসিবিকে এবং এ দিনের মধ্যেই সিদ্ধান্ত হতে পারে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগের দিন পিসিবির এই চিঠি পুরো ব্যাপারটিতে ভিন্ন মাত্রা যোগ করছে।
তবে ইএসপিএনক্রিকইনফো জানতে পেরেছে, আইসিসির অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসছে না। বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে এখনও পর্যন্ত অনড় বিসিবি। আইসিসিও ভেন্যু পরিবর্তন না করার সিদ্ধান্তে অটল। দুই দফা আনুষ্ঠানিক বৈঠক ও বিভিন্ন আলোচনায় দুই পক্ষই নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছে বারবার। বিসিবি দফায় দফায় তুলে ধরেছে নিজেদের নিরাপত্তা শঙ্কার ব্যাপারটি। আইসিসিও প্রতিবারই বলেছে, কোনো দলের প্রতি সুনির্দিষ্ট কোনো হুমকি বা ঝুঁকি নেই। গত কয়েকদিনে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমে নানারকম খবর বেরিয়ে বিভিন্ন সূত্রের বরাতে। বাংলাদেশের ম্যাচগুলো পাকিস্তান আয়োজন করতে চায়, বাংলাদেশের সমর্থনে তারাও বিশ্বকাপে খেলবে না, বাংলাদেশের সমর্থনে বিশ্বকাপ প্রস্তুতি বন্ধ রেখেছে পাকিস্তান দল, এমন চমকপ্রদ সব খবর বেরিয়েছে। তবে পিসিবি কর্তারা আনুষ্ঠানিকভাবে কোনোটিই নিশ্চিত করেননি।
বরং পিসিবি বরাতে গালফ নিউজের খবরে বলা হয়েছে, এই ধরনের কোনো ভাবনা তাদের নেই। মন্তব্য করতে ইএসপিএনক্রিকইনফোর অনুরোধেও সাড়া দেয়নি পাকিস্তানের বোর্ড। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে যাচ্ছে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি। প্রথম দিনেই মাঠে নামার কথা বাংলাদেশের। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ম্যাচটি হওয়ার কথা কলকাতায়। তবে বাংলাদেশ সেখানে যাচ্ছে না নিশ্চিতভাবেই। কলকাতার বদলে কলম্বো বা ক্যান্ডিতে হবে কি না, সেটি জানা যাবে হয়তো শিগগিরই।
