বিসিবি নির্বাচনে দুই দিনে ৩৩ মনোনয়নপত্র জমা

প্রকাশ : ২৩ মে ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  ক্রীড়া প্রতিবেদক

আগামী ৭ জুনের বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন। গতকাল শুক্রবার ছিল মনোনয়নপত্র জমা নেওয়ার শেষ দিন। সবমিলিয়ে মোট ৩৩টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে। রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ তাহেরুল হক চৌহান এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি জানান। তিনি বলেন, ‘আজকে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষদিন ছিল। আমরা মনোনয়ন ফর্ম জমা নিয়েছি সারা দিন ধরে। সকাল দশটায় আমরা এটা চালু করি এবং বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত এটা চলে।’ তাহেরুল আরও বলেন, ‘তিনটা ক্যাটাগরিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এক নম্বর ক্যাটাগরি যেটা ক্যাটাগরি ওয়ান, সেখানে আমরা ১৪টি নমিনেশন ফর্ম গ্রহণ করেছি। আর ক্যাটাগরি (দুইতে) ১৮টি ফর্ম সাবমিট হয়েছে। আর ক্যাটাগরি থ্রিতে একটি।’

নির্বাচনি তফসিল অনুযায়ী শনিবার মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে। এ নিয়ে তাহেরুল হক বলেন, ‘আজকে এটা গ্রহণ করলাম। এটা যাচাই-বাছাই হবে এবং এখানে তালিকাটাও প্রকাশ করা হবে (২৩ মে) তারিখে। আমি আশা করছি, আগামীকাল আমরা এটা যাচাই-বাছাই করব।’ তিনি আরও বলেন, ‘বিসিবির গঠনতন্ত্র ২০২৪ সালে সংশোধন করা হয়েছে। আর নির্বাচন পরিচালনার জন্য করা নীতিমালা, এই দুইটি বিষয় মাথায় রেখেই আমরা যাচাই-বাছাই করব।’

পরে বিভাগভিত্তিক মনোনয়ন জমাদানকারীদের নামও প্রকাশ করা হয়। ঢাকা বিভাগ থেকে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন সাঈদ বিন জামান, এসএম আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদ ও জসিমউদ্দিন খান খোকন। চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে ফর্ম জমা দিয়েছেন মিনহাজুল আবেদীন নান্নু, মঈনুদ্দিন চৌধুরী ও শরীফুল ইসলাম। রাজশাহী বিভাগ থেকে মীর শাহরুল আলম সীমান্ত, রংপুর বিভাগ থেকে মির্জা ফয়সাল আমিন মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। খুলনা বিভাগ থেকে জমা পড়েছে চৌধুরী শফিকুল আলম, শান্তনু ইসলাম ও মোহাম্মদ আব্দুস সালামের মনোনয়নপত্র।

বরিশাল বিভাগ থেকে মুনতাসির আলম চৌধুরী ও মিজানুর রহমান এবং সিলেট বিভাগ থেকে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। ক্যাটাগরি-৩ থেকে একমাত্র মনোনয়ন জমা দিয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সিরাজউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর। এ সময় শাহরিয়ার হোসেন বিদ্যুতের ফর্ম তোলার বিষয়েও কথা বলেন রিটার্নিং অফিসার। তিনি বলেন, ‘তিনি ফর্ম তুলেছিলেন। তবে গঠনতন্ত্র পর্যালোচনা করে আমরা দেখেছি, তিনি ক্যাটাগরি-৩ এ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার যোগ্য নন। তিনি খেলোয়াড় কল্যাণ সংস্থার একজন প্রতিনিধি। এ কারণে কাউন্সিলর হিসেবে থাকতে পারলেও পরিচালক পদে নির্বাচন করার যোগ্যতা তার নেই।

গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তিনি এই ক্যাটাগরিতে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।’ তার ব্যাখ্যা, ‘হ্যাঁ, এখানে কিছুটা ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। তিনিও শুরুতে বিষয়টি পরিষ্কারভাবে বুঝতে পারেননি। পরে বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনি নিজেই ফর্ম ফেরত দিয়েছেন।’