ঢাকা লিগে গতির ঝড় তোলার অপেক্ষায় নাহিদ রানা

প্রকাশ : ০২ জুন ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  ক্রীড়া প্রতিবেদক

ঈদের বিরতির পর আবার শুরু হওয়ার অপেক্ষায় ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ। মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামের একাডেমি মাঠে গতকাল সোমবার অনুশীলন ছিল মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের। শিরোপা প্রত্যাশী দলটির অনুশীলনে দেখা গেল নতুন আলোর ঝলকানি। এমনিতেই দলটি তারকায় ঠাসা। সেখানেই এবার যোগ হলেন দেশের এই সময়ের উজ্জ্বলতম তারকাদের একজন নাহিদ রানা। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল) দলবদলের সময় যদিও আবাহনী লিমিটেড জানিয়েছিল, তাদের সঙ্গেই থাকছেন নাহিদ। তবে লিগের মাঝপথে বদলে গেছে তার ঠিকানা। আবাহনীর চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহামেডানের হয়ে মাঠে নামবেন তিনি। তরুণ গতি তারকার সঙ্গে মোহামেডানের জার্সিতে দেখা যাবে অভিজ্ঞ পেসার তাসকিন আহমেদকেও।

একাডেমি মাঠে অনুশীলন শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মোহামেডানের প্রধান কোচ মিজানুর রহমান নিশ্চিত করলেন এই দুই পেসারকে দলে নেওয়ার খবর। ‘শুধু নাহিদ রানা না, তাসকিনও (আহমেদ) আমাদের সাথে যুক্ত হয়েছে। আমরা যতটুকু সম্ভব পেরেছি, আমাদের দলকে আরও শক্তিশালী করার।’ লেজেন্ডস অব রূপগঞ্জের বিপক্ষে মঙ্গলবার মোহামেডানের হয়ে খেলবেন এই দুজন। কৌতূহলটা বেশি নাহিদ রানাকে ঘিরেই। তাকে সতর্কতায় সামলানো নিয়ে আলোচনা নিয়মিতই হচ্ছে দেশের ক্রিকেটে। সামনেই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ। তার ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের প্রসঙ্গ তাই উঠে আসছে এখানে।

জাতীয় দলের ফিজিও বায়েজিদুল ইসলাম খান অবশ্য জানালেন, প্রিমিয়ার লিগে নাহিদের খেলায় আপাতত সমস্যার কিছু তারা দেখছেন না। ‘ম্যাচ (পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট) খেলার পর কয়েক দিন (বোলিং) অফ ছিল। ৩০ (মে) তারিখের পর থেকে ওরা (পেসাররা) যে কোন ম্যাচ খেলতে পারবে।’ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের আগে আগামী শুক্রবারও মোহামেডানের হয়ে খেলার সুযোগ আছে নাহিদ রানার। তবে সেই ম্যাচে তাকে পাওয়া যাবে কি না, এখনই চূড়ান্ত কিছু বলতে পারলেন না কোচ মিজানুর। ‘আপাতত আমরা কালকের ম্যাচটি নিয়েই চিন্তিত। এটা খেলুক, তারপরে বোঝা যাবে সে খেলতে পারবে কি না।’ সাম্প্রতিক সময়ে দারুণ ছন্দে থাকা নাহিদ রানা যেমন গতির ঝড় তুলেছেন, তেমনি উইকেটও শিকার করেছেন। চলতি বছর এখনও পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি উইকেট শিকারি পেসার তিনি। টেস্ট ও ওয়ানডে মিলে ৮ ম্যাচে তার শিকার ২৭ উইকেট। ৫ উইকেট শিকার করেছেন ৩ বার। এসবের মধ্যে মাতিয়ে এসেছেন তিনি পাকিস্তান সুপার লিগও। সেখানে ৫ ম্যাচে ৯ উইকেট নিয়েছেন তিনি ওভারপ্রতি ৫.৪৪ রান দিয়ে।