শঙ্কা উঁকি দিয়েছিল ইয়ামালের মনে

প্রকাশ : ০২ জুন ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  ক্রীড়া ডেস্ক

বার্সেলোনার হয়ে চোটে পড়ার পর বিশ্বকাপে খেলতে না পারার শঙ্কা উঁকি দিয়েছিল লামিনে ইয়ামালের মনে। চোট যেন গুরুতর না হয়, সেই প্রার্থনা করেছিলেন তরুণ এই স্প্যানিশ তারকা। গত ২২ এপ্রিল লা লিগায় সেল্তা ভিগোর বিপক্ষে জয়ের ম্যাচে পায়ে অস্বস্তি নিয়ে মাঠ ছাড়েন ইয়ামাল। পেনাল্টি থেকে গোল করার পরই উদযাপনের সময় ডাগআউটের দিকে হাত উঁচিয়ে ইঙ্গিত দেন পায়ে টান লাগার। ফিজিওর শুশ্রুষা নিয়েও আর খেলা চালিয়ে যেতে পারেননি। পরদিন পরীক্ষায় তার বাঁ হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট ধরা পড়ার কথা জানায় বার্সেলোনা। ফলে মৌসুমের বাকি অংশে তিনি খেলতে পারেননি।

১৮ বছর বয়সী এই ফুটবলার এখন বিশ্বকাপের জন্য স্পেন দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে তিনি খেলার জন্য ফিট হয়ে উঠবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনের প্রকাশিত ভিডিওতে ইয়ামাল স্বীকার করে নিলেন, একপর্যায়ে উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে পড়ার ভয় জেঁকে ধরেছিল তাকে। ‘চোট পাওয়ার মুহূর্তটা আমার মনে আছে। মনে মনে প্রার্থনা করছিলাম, যেন গুরুতর কিছু না হয়, শুধু পেশিতে সামান্য টান লাগা বা ওরকম কিছু, কারণ বিশ্বকাপ খুব কাছে ছিল। আমি জানতাম যে হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট, যদিও আমার আগে কখনও এমন হয়নি। ভয় পাচ্ছিলাম যে, এটা গুরুতর কিছু অথবা চোট আবার ফিরে আসতে পারে, আর তাতে আমি বিশ্বকাপ খেলতে পারব না।’

ক্যারিয়ারের প্রথম বিশ্বকাপে খেলতে অধীর হয়ে আছেন ইয়ামাল। সময়ের সেরা ফুটবলারদের একজন তিনি। বিশ্বকাপে তাকে ঘিরে সমর্থকদের প্রত্যাশাও থাকবে বেশি। সবকিছুকে আলিঙ্গন করেই মাঠে নামার অপেক্ষায় তিনি। ‘প্রত্যাশা বেশি হলে আরও ভালো খেলি, নিজের খেলার মান উন্নত হয়। আমার প্রত্যাশা যদি অন্য কোনো খেলোয়াড়ের মতো হতো, তাহলে হয়তো এই পর্যায়ে আসতে পারতাম না। এভাবেই ভালো লাগে, এটাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিই এবং উপভোগ করি। অবশেষে সেই মুহূর্তটা এসে গেছে। ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ শেষ হওয়ার পর থেকেই আমরা সবাই এই দিনটার কথা ভাবছিলাম। আমরা সবাই খুব রোমাঞ্চিত। আমরা ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন হিসেবে খেলতে নামব এবং সবকিছু জেতার জন্যই লড়ব।’

আগামী ১৫ জুন নবাগত কেপ ভার্দের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে স্পেন। তার আগে আগামী বৃহস্পতিবার ইরাকের বিপক্ষে ও ৯ জুন পেরুর বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলবে ২০১০ সালের বিশ্বকাপ জয়ীরা।