বিশ্বকাপের নিরাপত্তায় রোবট কুকুর
প্রকাশ : ০৩ জুন ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
ক্রীড়া ডেস্ক
২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ শুরুর আর কয়েক দিন বাকি। এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ডালাস-ফোর্ট ওয়ার্থ (ডিএফডব্লিউ) অঞ্চলে শুরু হয়ে গেছে ব্যাপক নিরাপত্তা প্রস্তুতি। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রীড়া আয়োজনকে ঘিরে ৩০টির বেশি সংস্থা যৌথভাবে কাজ করছে, যেখানে রয়েছে স্থানীয় পুলিশ, অঙ্গরাজ্য প্রশাসন, এফবিআই এবং যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগও। নিরাপত্তা ব্যবস্থার সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো ‘স্পট’ নামের একটি রোবট কুকুর। ডালাসের নবনির্মিত আন্তর্জাতিক সম্প্রচার কেন্দ্রে টহল দিচ্ছে এই যন্ত্রচালিত কুকুর। ঘেউ ঘেউ করতে না পারলেও অত্যাধুনিক ক্যামেরার মাধ্যমে চারপাশ পর্যবেক্ষণ করছে এটি। এর আগে ইংল্যান্ডের ক্রিকেট ম্যাচ, যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন পেশাদার ক্রীড়া ইভেন্ট এবং মোটর রেসিং প্রতিযোগিতাতেও একই ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। বিশ্বকাপের আরেক আয়োজক দেশ মেক্সিকোও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় রোবট কুকুর ব্যবহার করছে।
বিশ্বকাপ চলাকালে স্টেডিয়াম ও ফ্যান জোনগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন ডালাস পুলিশের প্রধান ড্যানিয়েল কোমো। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে মোতায়েনকৃত সদস্যদের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা প্রকাশ করা হয়নি। আয়োজকরা মনে করছেন, বড় আন্তর্জাতিক আয়োজনের সময় মানব পাচারের ঝুঁকি সাধারণত বেড়ে যায়। তাই মাদক ও মানব পাচার ঠেকাতে গোপন নজরদারি জোরদার করা হবে। প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তার অংশ হিসেবে আকাশেও থাকবে নজরদারি ড্রোন। তবে ম্যাচ চলাকালে সাধারণ ড্রোন উড্ডয়নের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ)। ম্যাচের দিন স্টেডিয়ামের আশপাশে নির্দিষ্ট এলাকায় কোনো ধরনের ড্রোন বা উড়োজাহাজ চলাচল অনুমোদন ছাড়া সম্ভব হবে না।
বিশ্বকাপ উপলক্ষে নিরাপত্তা খাতে বড় অঙ্কের অর্থও বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। টেক্সাসের ডালাস পুলিশ বিভাগ জানিয়েছে, নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনায় তারা প্রায় ৫ কোটি ১৫ লাখ ডলারের বিশেষ অনুদান পেয়েছে। এই অর্থের একটি অংশ ব্যয় করা হবে অতিরিক্ত ক্যামেরা, ড্রোন প্রতিরোধ প্রযুক্তি এবং নিরাপত্তা সরঞ্জাম কেনার কাজে।
