বিশ্বকাপের ফাইনাল নিয়ে লড়াইয়ে দুই দেশ

প্রকাশ : ২৬ জুলাই ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  ক্রীড়া ডেস্ক

২০৩০ সালের ফিফা বিশ্বকাপ শুরু হতে এখনও চার বছর বাকি। মাঠে কোন দল চ্যাম্পিয়ন হবে, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়ারও সময় আসেনি। কিন্তু এরই মধ্যে সবচেয়ে বেশি আগ্রহ তৈরি হয়েছে অন্য একটি প্রশ্ন ঘিরে-বিশ্বকাপের ফাইনাল কোথায় হবে? ফিফা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। তবে আয়োজক দেশগুলোর নেপথ্যে চলছে তীব্র হিসাব-নিকাশ। একদিকে স্পেনের ঐতিহ্যবাহী সান্তিয়াগো বার্নাব্যু ও সংস্কারাধীন ক্যাম্প ন্যু, অন্যদিকে মরক্কোর নির্মাণাধীন ১ লাখ ১৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার গ্র্যান্ড হাসান স্টেডিয়াম। বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ম্যাচের মঞ্চ হওয়ার দৌড়ে এখন এই তিন স্টেডিয়ামই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। ২০৩০ বিশ্বকাপ এমনিতেই ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যতিক্রমী আয়োজন হতে যাচ্ছে। বিশ্বকাপের শতবর্ষ উপলক্ষে প্রথমবারের মতো টুর্নামেন্ট ছড়িয়ে পড়বে তিন মহাদেশের ছয়টি দেশে। উদ্বোধনী তিন ম্যাচ হবে উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়েতে। এরপর মূল পর্বের বাকি ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কোতে। ১৯৩০ সালের প্রথম বিশ্বকাপের স্মৃতিকে সম্মান জানাতেই এমন ব্যতিক্রমী পরিকল্পনা নিয়েছে ফিফা।

তবে শতবর্ষের এই আয়োজনের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ম্যাচটি কোথায় হবে, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় রহস্য। প্রথম দিকে ধারণা ছিল, ফাইনাল আয়োজনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে এগিয়ে থাকবে সান্তিয়াগো বার্নাব্যু। সম্প্রতি আধুনিকায়নের মাধ্যমে নতুন রূপ পেয়েছে রিয়াল মাদ্রিদের এই স্টেডিয়াম। প্রায় ৮৪ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং বড় ইভেন্ট আয়োজনের অভিজ্ঞতা বার্নাব্যুকে স্বাভাবিকভাবেই শক্তিশালী প্রার্থী করে তুলেছে।

অন্যদিকে সংস্কার শেষে বার্সেলোনার ক্যাম্প ন্যুতে একসঙ্গে বসতে পারবেন প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার দর্শক। ফলে ধারণক্ষমতার দিক থেকেও সেটি বিশ্বের অন্যতম বড় ফুটবল স্টেডিয়ামে পরিণত হবে।