বাংলাদেশের থাইল্যান্ড সফর বাতিল
প্রকাশ : ২২ আগস্ট ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক
উজবেকিস্তানে এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ দল মাঠে নামবে আগামী ৩১ আগস্ট। তবে উজবেকিস্তান যাওয়ার আগে থাইল্যান্ডে অনুশীলন ম্যাচ খেলতে চেয়েছিল লাল সবুজের যুবারা। শেষ মুহুর্তে ভিসাও পেয়েছিল দলের ফুটবলাররা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সফরটি বাতিল হয়েছে। বাফুফে বেশ কয়েকদিন যাবৎ ফুটবলারদের থাইল্যান্ড ভিসার জন্য আবেদন করে যোগাযোগ করছে। সভাপতি তাবিথ আউয়ালের চেষ্টায় শেষ পর্যন্ত ভিসা হলেও থাই সফর বাতিলের সিদ্ধান্ত হয়েছে বাংলাদেশ দলের। কারণ থাইল্যান্ডে ২৫ আগস্ট ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে ম্যাচ ছিল। আবার ভিসা না হওয়ায় অনিশ্চিত ছিল তাদের ফ্লাইট। এমন অনিশ্চয়তার জন্য ইন্দোনেশিয়া অন্য দলের সঙ্গে খেলতে আগ্রহী হয়েছে গত বুধবার। তাই বৃহস্পতিবার ভিসা পেলেও বাংলাদেশ দলের থাইল্যান্ড সফর হচ্ছে না।
সাম্প্রতিক সময়ে থাইল্যান্ডের ভিসা না পেয়ে দাবার আন্তর্জাতিক মাস্টার মনন রেজা খেলতে যেতে পারেননি। আরও কয়েকজন ক্রীড়াবিদের থাই ভিসা না পাওয়ার ঘটনা রয়েছে। এদিকে, থাইল্যান্ডে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে দুই ম্যাচ খেলার কথা ছিল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দলের। ১৮ আগস্ট আরব আমিরাতের সঙ্গে ম্যাচ হয়নি ভিসা না পাওয়ায়। ইন্দোনেশিয়াও শেষ পর্যন্ত অন্য প্রতিপক্ষ খুঁজে নিয়েছে। বিদেশি দলের সঙ্গে খেলা না হওয়ায় বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দল এখন ঢাকায় ফর্টিজ ও পুলিশের বিপক্ষে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে। কারণ এ দুই ক্লাবই মূলত অনুশীলনের মধ্যে রয়েছে। থাইল্যান্ডের আগে বাহরাইন যাওয়ার কথা ছিল অনূর্ধ্ব-২০ দলের। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি বিবেচনায় সে সফরে আগ্রহ দেখায়নি টিম ম্যানেজমেন্ট। বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দল সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। এরপরই এ দল নিয়ে এশিয়া কাপে খেলার স্বপ্ন জাগে। বাফুফে দীর্ঘমেয়াদী প্রস্তুতি এবং প্রবাসী ফুটবলাররা দলে এসে সে সম্ভাবনার পালে হাওয়া বাড়িয়েছে। বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দল কয়েক সপ্তাহ যশোরের শামসুল হুদা একাডেমিতে অনুশীলন করে। চার দিন আগে ঢাকায় আসার পর থেকে প্র্যাকটিস করছে কমলাপুর স্টেডিয়ামে। যদিও কমলাপুর স্টেডিয়ামের পরিবেশ ফুটবল-সম্মত নয়। ব্রিটিশ কোচ জেরার্ড জোন্স ২৩ জনের দল চূড়ান্ত করেছেন। যেখানে প্রবাসী ফুটবলার রয়েছেন পাঁচ জন। বাছাই পর্বে আট গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন ও সাত সেরা রানার্সআপ অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়া কাপের মূলপর্বে খেলবে।
বাংলাদেশ পড়েছে ‘বি’ গ্রুপে। ওই গ্রুপে স্বাগতিক উজবেকিস্তান ছাড়া অপর দুই প্রতিপক্ষ ভারত ও সিরিয়া। ৩১ আগস্ট স্বাগতিক উজবেকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বাংলাদেশের টুর্নামেন্ট শুরু। ৩ ও ৬ সেপ্টেম্বর যথাক্রমে সিরিয়া ও ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন না হতে পারলে রানার্সআপ হলেও বাংলাদেশের চূড়ান্ত পর্বে খেলার সুযোগ থাকবে। এ টুর্নামেন্টের উপর ব্রিটিশ কোচ জেরার্ড জোন্সের বাংলাদেশ অধ্যায় নির্ভর করছে।
