আমি কখনও সেই সীমা অতিক্রম করতে চাই না
প্রকাশ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক
নিশ্চিত হয়ে গেছে-নির্ধারিত সময়ে বাংলাদেশ-ভারত সিরিজ হচ্ছে না! চলতি আগস্ট-সেপ্টেম্বরে তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলতে ভারতের বাংলাদেশ সফরের কথা ছিল। রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে সেই সূচি বাস্তবায়নের সম্ভাবনা নেই। তবে সিরিজটি পুরোপুরি বাতিল হয়ে গেছে-এমন সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি তামিম ইকবাল। এক সাক্ষাৎকারে তামিম বলেন, 'ভারত সিরিজ হবে না, এটা এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি।' তার এই বক্তব্যে স্পষ্ট, নির্ধারিত সময়ের দরজা বন্ধ হলেও সিরিজ আয়োজনের সম্ভাবনা এখনো উন্মুক্ত। দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ড নতুন একটি উইন্ডো খুঁজছে এবং এ নিয়ে নিয়মিত আলোচনা চলছে। বিসিবি সভাপতি তামিম বলেন, 'দুই বোর্ডই বিষয়টি নিয়ে খুবই আন্তরিক। বিসিসিআই ও বিসিবি দুই পক্ষই দেখছে, কোন সময়ে কী করা যায়। মোটামুটি একটি সময় নিয়েও আমরা ভাবছি, তখন এটি আয়োজন করা সম্ভব কি না। আমাদের ইচ্ছা যদি নেতিবাচক হতো, তাহলে আজ আমি আপনাকে বলতামই না যে, দেখা যাক কী হয়, আমরা আশাবাদী। আমি এই কথাটাও বলতাম না। ইচ্ছা খুবই ইতিবাচক।' তবে সিরিজের ভবিষ্যৎ পুরোপুরি বিসিবির হাতে নেই বলেও স্পষ্ট করেছেন তিনি। রাজনৈতিক পরিস্থিতির মতো কিছু বিষয় ক্রিকেট বোর্ডের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। পাশাপাশি বাংলাদেশের সামনে আরও তিনটি সিরিজ এবং ভারতেরও ব্যস্ত আন্তর্জাতিক সূচি রয়েছে।
তামিম বলেন, 'কিছু বিষয় আছে, যেগুলো আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। বিসিবি সভাপতি হিসেবে আমি কখনো সেই সীমা অতিক্রম করতে চাই না। তবে ইচ্ছা ভালো, আমরা নিয়মিত যোগাযোগ করছি। তারিখ নিয়েও আলোচনা হচ্ছে। কারণ বাংলাদেশও ব্যস্ত, ভারতও ব্যস্ত। বাংলাদেশের সামনে তিনটি সিরিজ রয়েছে। আবার ভারত ও বিসিসিআইও নিজেদের ম্যাচ নিয়ে ব্যস্ত। তারপরও আমরা নিয়মিত এ নিয়ে আলোচনা করছি।' ভারত সিরিজের পাশাপাশি তামিমের বক্তব্যে উঠে এসেছে ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশের সরে দাঁড়ানোর প্রসঙ্গও। তার মতে, মুস্তাফিজুর রহমানকে ঘিরে তৈরি পরিস্থিতি নিয়ে আপত্তি থাকলেও বিশ্বকাপ বর্জনের মতো সিদ্ধান্তের আগে আরও ভালোভাবে আলোচনা করা যেত।
তামিম বলেন, 'আমার মনে হয়, বিষয়টি আমরা আরও ভালোভাবে আলোচনা করতে পারতাম। মুস্তাফিজের বিষয়টি অবশ্যই এমন কিছু ছিল, যা পুরো দেশকে হতাশ করেছিল।
আমি সেদিনও বলেছিলাম, আজও বলছি, এমনটা কখনোই হওয়া উচিত ছিল না। এটি কোনোভাবেই সঠিক কাজ ছিল না। সেই সময় আমি এর পক্ষে ছিলাম, এখনো আছি।' বিশ্বকাপের মতো বড় আসর থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে তার আক্ষেপ আরও স্পষ্ট, 'আমরা একটি বিশ্বকাপে খেলতে যাচ্ছিলাম। বাংলাদেশ প্রথমবার বিশ্বকাপে জায়গা নিশ্চিত করার পর দেশের প্রতিটি মানুষ যেভাবে উদযাপন করেছিল, তা আমরা সবাই দেখেছি।
